আবার সেই তেলঙ্গানা। আবার আয়বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগ উঠল সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে। তাঁর ১০০ কোটির সম্পত্তির হদিস মিলেছে বলে রাজ্যের দুর্নীতিদমন শাখা সূত্রে খবর। অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ারের নাম বি রবীন্দ্র। তিনি হায়দরাবাদ মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এইচএমডিএ)-র মুখ্য ইঞ্জিনিয়ারের পদে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। তার পরেই অভিযানে নামে দুর্নীতিদমন শাখা (এসিবি)।
এসিবি সূত্রে খবর, ওই ইঞ্জিনিয়ারের বেশ কয়েকটি ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, তাঁর আত্মীয়দের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ১০০ কোটির হদিস মিলেছে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। তবে তাঁরা মনে করছেন, এটি হিমশৈলের চূড়ামাত্র। সম্পত্তির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
এসিবি জানিয়েছে, রঙ্গারেড্ডি জেলার কোন্দাকাল, কিষ্টাপুল এবং পাসামাইলায় পাঁচটি জমি রয়েছে। নরসিংহী এবং নানকরামগুড়ায় চারটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের হদিস মিলেছে। এ ছাড়াও শামসাবাদে গুডুর গ্রামে বেশ কয়েকটি কৃষিজমি, মোকিলায় একটি বিশাল বড় বাংলো, কোন্ডাপুরে একটি আবাসনের খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারী সূত্রে খবর, ইঞ্জিনিয়ারের একটি ঠিকানা থেকে নগদ ৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ব্যাঙ্কে রয়েছে ৪৫ লক্ষ টাকা। এ ছাড়াও আরও একটি ঠিকানা থেকে উদ্ধার হয়েছে দেড় কেজি সোনা, ১৩ কেজি রুপো, প্রায় ১৮ লক্ষ টাকার আসবাব, সাড়ে ৯ লক্ষ টাকার ইলেকট্রনিক গ্যাজেট, বিলাসবহুল বেশ কয়েকটি গাড়ি। যার সর্বমোট বর্তমান বাজারদর এক কোটি টাকারও বেশি। ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত মাসেই তেলঙ্গানার পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ার মোহন নায়েক জারুপলার ১০০ কোটির সম্পত্তির হদিস পেয়েছিল এসিবি। তল্লাশি অভিযানের সময় ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি থেকে নগদ ১৮ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। ১৫টি ঠিকানায় তল্লাশি চালায় এসিবি।