বৃহস্পতিবার ১৮ বছরের এক নার্সিংয়ের ছাত্রীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল তাঁর তেলঙ্গানার বাড়ি থেকে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে পুলিশের সন্দেহ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনার সূত্রে কয়েক জনের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।
মৃতার নাম হরিণী। বাড়ি তেলঙ্গানার জুলুরুপাডু মণ্ডলের বেঙ্গান্নাপালেম গ্রামে। খাম্মামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নার্সিংয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। ছুটিতে বাড়ি ফিরেছিলেন। তার পরেই এই ঘটনা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিণীকে তাঁর মা বাড়ির পিছনের শৌচাগারের সামনে মৃত অবস্থায় খুঁজে পান। তাঁর মা রাজেশ্বরী কিছু কাজ সারতে বাইরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে প্রথমে মেয়েকে কোথাও দেখতে পাননি। তার পর খোঁজ করতে করতে শৌচাগারের কাছে গিয়ে মেয়ের মৃতদেহ দেখতে পান। পুলিশ এসে জায়গাটি খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করে এবং তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে। তাদের সন্দেহ, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়।
আরও পড়ুন:
হরিণীর মাকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে পুলিশের প্রাথমিক সন্দেহ গিয়ে পড়ে এক প্রতিবেশীর উপর। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পুলিশের প্রাথমিক সন্দেহ, তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।
কোথাগুডেমের ডিএসপি এল আদি নারায়ণ জানান, এই ঘটনার দ্রুত তদন্তে হবে। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা জানতে পেরেছি শ্বাসরোধ করে হরিণীকে খুন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে আমরা এটিকে খুনের ঘটনা হিসেবে দেখছি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৩(১) ধারায় নতুন করে মামলা রুজু হয়েছে। মূল সন্দেহভাজন ফেরার, আমাদের অনেক দল তাঁর খোঁজ চালাচ্ছে।’’
পুলিশ সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা কয়েক জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং তাঁদের আটক করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ ময়নাতদন্তের বিস্তারিত রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে। সেটা হাতে পেলে তবেই বোঝা যাবে, মেয়েটির উপর যৌন নির্যাতন হয়েছিল কি না।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্যপ্রমাণ ঘেঁটে দেখা হচ্ছে। তার সঙ্গে মৃতার পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার ঠিক আগে হরিণী এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা কে কোথায় ছিলেন, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।