প্রথমে গাঁধী জয়ন্তীতে মুম্বইয়ে ‘জেল ভরো আন্দোলন’। তার পরে কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও গোয়ায় তাদের দল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলনে নামবে বলে ঘোষণা করলেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ককরোচ-প্রতিষ্ঠাতা দীপকে জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষে তাঁরা ফের দিল্লিতে যন্তর মন্তরে আন্দোলনে নামবেন। জ্ঞানেশের ইস্তফা না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। ঠিক যে ভাবে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তর থেকে নিট-এর প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে আন্দোলন চলেছিল।
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শুক্রবার গাঁধী জয়ন্তী থেকে এক দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে সিজেপির ‘জেল ভরো’ আন্দোলন শুরু হচ্ছে। অন্য দিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে আইসা, এসএফআই, ডিওয়াইএফআই-সহ বিভিন্ন ছাত্র-যুব-নাগরিক সংগঠন আন্দোলন শুরু করছে। বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোটও জেলায় জেলায় ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ অভিযান শুরু করছে ২ অক্টোবর থেকে।
দিল্লি পুলিশ এসএফআই-ডিওয়াইএফআইয়ের যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর অনুমতি খারিজ করেছে। তার পরেও এসএফআই সভাপতি আদর্শ এম সাজি জানিয়েছেন, তাঁরা যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখাতে যাবেন। আইসা-র পরিকল্পনা, যদি পুলিশ আটক করে, তা হলে থানাতেই অনশন শুরু হবে। কংগ্রেসের সাংগঠনিক সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল জেলা সংগঠনকে নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতিটি জেলায় জেলাশাসকের দফতর পর্যন্ত মিছিল করে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুতুল পোড়াতে হবে। জ্ঞানেশের ইস্তফা নিয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতির জন্য ৫ অক্টোবর কংগ্রেসের রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকদের দিল্লিতে বৈঠক ডাকা হয়েছে।