আবার নয়ডা। আবার এসি স্লিপার বাসে অগ্নিকাণ্ড। তবে এ বার আগে থেকেই সতর্ক হয়ে গিয়েছিলেন চালক। যার জেরে বড় বিপদ এবং প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা।
জানা গিয়েছে, বাসে ৩২ জন যাত্রী ছিলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাসটি দিল্লির লালকেল্লা থেকে উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরপুরে যাচ্ছিল। লালকেল্লা থেকে রওনা হওয়ার আধঘণ্টার মধ্যে নয়ডার সেক্টর ৪৮-এর নলেজ পার্কের কাছে পৌঁছোয় বাসটি। সেই সময় চালক বাসের কেবিনে পোড়া গন্ধ পান। গন্ধটা আসছিল বাসের সামনের অংশ থেকেই। এক মুহূর্ত দেরি করেননি চালক। বাসটিকে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে দেন। তার পর যাত্রীদের দ্রুত বাস খালি করার পরামর্শ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যাত্রীরা নামার ৫-৭ মিনিটের মধ্যে গোটা বাসে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। এ বারও সেই ঘটনাস্থল যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে। উৎসবের মরসুম উপলক্ষে বাসে পণ্য নিয়ে যাচ্ছিলেন কয়েক জন ব্যবসায়ী। সেই সব পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সেই মুহূর্তের কথা ভেবে যাত্রীরা শিউরে উঠছেন। এক যাত্রীর কথায়, ‘‘আর ৫ মিনিট দেরি হলে কী ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে যেত ভেবেই শিউরে উঠছি। অনেক মানুষের মৃত্যু হতে পারত। কিন্তু চালকের তৎপরতা এবং আগাম সতর্কতার কারণে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেলাম।’’ খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে দমকল এবং পুলিশ পৌঁছোয়। যাত্রীদের উদ্ধার করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর দিল্লি থেকে উত্তরপ্রদেশগামী একটি এসি স্লিপার বাসে আগুন ধরে যায়। বাসে ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন। সেই ঘটনায় ন’জনের মৃত্যু হয়েছিল। পোড়া গন্ধ পাচ্ছেন বলে বাসচালককে বার বার সতর্ক করেছিলেন যাত্রীরা। কিন্তু অভিযোগ, চালক তা পাত্তা দিতে চাননি। তার জেরেই বড় দুর্ঘটনার শিকার হয় বাসটি। তবে এ বার চালক আগে থেকে সতর্ক হওয়ায় যাত্রীরা প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।