Advertisement
E-Paper

দেবস্মিতার ফ্ল্যাটে জানুয়ারি ও মার্চের মধ্যে বার কয়েক রেকি! ১ জুন হোয়াট্‌সঅ্যাপ কল দম্পতির, দিল্লির অধ্যাপিকা খুনে রহস্য ঘনীভূত

সূত্রের খবর, ব্যবসার সূত্রে যখনই দিল্লি যেতেন রামপ্রসাদ, তখনই দেবস্মিতার ফ্ল্যাটে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করে আসতেন। এমনকি দেবস্মিতার দাদুর বাড়ি থেকে প্রতি বছর দিল্লিতে আমও দিয়ে আসতেন অভিযুক্ত।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ ১৬:২৫
(বাঁ দিকে) অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পাল। (ডান দিকে) পুলিশের তল্লাশি। ছবি: সংগৃহীত।

(বাঁ দিকে) অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পাল। (ডান দিকে) পুলিশের তল্লাশি। ছবি: সংগৃহীত।

দিল্লির অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পালের খুনে আরও বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল। তদন্তকারী সূত্রে খবর, জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে বেশ কয়েক বার দেবস্মিতার আবাসনের রেকি করেন অভিযুক্ত রামপ্রসাদ দাস। শুধু তা-ই নয়, অধ্যাপিকার গতিবিধির উপরেও নজরদারি চালাতেন। তিনি কখন বাড়ি ঢুকছেন, কখন বার হচ্ছেন, কোথায় যাচ্ছেন ইত্যাদি। আবাসন এবং আশপাশের এলাকার ছবিও তোলেন অভিযুক্ত।

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জুনের মধ্যে তাঁর দাদুর বর্ধমানের বাড়ি খালি করে দেওয়ার জন্য রামপ্রসাদকে বলেছিলেন দেবস্মিতা। বাড়ির ভাড়া দেবেন বলে ১ জুন দেবস্মিতাকে হোয়াট্‌সঅ্যাপে কল করেন অভিযুক্ত দম্পতি। অধ্যাপিকা তাঁদের জানান, ৩ জুন তিনি দিল্লির বাড়িতে থাকবেন। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ওই তারিখ জানার পরই খুনের পরিকল্পনা পাকা করে ফেলেন দম্পতি। তদন্তকারী সূত্রে খবর, বর্ধমানে শৌচাগারের নানা সরঞ্জামের একটি দোকান চালাতেন রামপ্রসাদ। ব্যবসার সূত্রে মাঝেমধ্যেই তিনি দিল্লির করোল বাগ এলাকায় যেতেন।

তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, ব্যবসার সূত্রে যখনই দিল্লি যেতেন রামপ্রসাদ, তখনই দেবস্মিতার ফ্ল্যাটে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করে আসতেন। এমনকি বর্ধমানে দেবস্মিতার দাদুর বাড়িতে যে আমগাছ রয়েছে, প্রতি বছর সেই আমও দিয়ে আসতেন অভিযুক্ত। সেই সূত্রে দেবস্মিতার আবাসনের খুঁটিনাটিও জানতেন রামপ্রসাদ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাড়িটি হাতানোর জন্য দেবস্মিতা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। আর তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয় অনেক আগেই। সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন দম্পতি। তদন্তকারীদের অনুমান, রামপ্রসাদ যখনই ব্যবসার সূত্রে দিল্লি যেতেন, তখন দেবস্মিতার সঙ্গে দেখা করার বাহানায় তাঁর ফ্ল্যাট এবং আবাসনের রেকি করতেন।

ঘটনাচক্রে, গত ৪ জুন দেবস্মিতার দেহ উদ্ধার হয় ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে। দিল্লিতে একাই থাকতেন দেবস্মিতা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন শিবাজি কলেজে পড়াতেন তিনি। বিয়ের পাঁচ বছরের মাথায় ২০২২ সালে স্বামীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিন্ন হয়। বিচ্ছেদের মামলা চলছিল বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। তাঁর স্বামী থাকেন বেঙ্গালুরুতে। বর্ধমানে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বাড়ি ছিল দেবস্মিতার। সেখানেই অভিযুক্ত দম্পতি ভাড়াটে হিসাবে থাকতেন। পুলিশ জানতে পেরেছে, দীর্ঘ দিন ধরেই সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার ছক কষছিলেন তাঁরা।

police

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy