আবার সেই বিহার। ফের এক কিশোর ও কিশোরীকে হেনস্থা এবং মারধরের অভিযোগ উঠল। জমুই, সমস্তীপুর, বাঁকার পর এ বার ঘটনাস্থল গয়া। অভিযোগ, শেরাঘাঁটি থানার অন্তর্গত মহুয়াজি গ্রামে পাহাড়ের কাছে এক কিশোর-কিশোরীকে দেখতে পেয়ে একদল যুবক ঘিরে ধরে হেনস্থা করেন। শুধু তা-ই নয়, মারধরও করা হয়। আরও অভিযোগ, সেই ঘটনার ভিডিয়ো করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন অভিযুক্তেরা।
জানা গিয়েছে ঘটনাটি সোমবারের। কিন্তু ভিডিয়োর সূত্র ধরে তা প্রকাশ্যে আসে মঙ্গলবার। পুলিশ সূত্রে খবর, বাইকে করে মহুয়াডির কাছে পাহাড়ে ঘুরতে গিয়েছিল কিশোর-কিশোরী। সেই সময় তাদের ঘিরে ধরেন কয়েক জন যুবক। অভিযোগ, প্রথমে দু’জনকে শাসানো হয়। হেনস্থা এবং মারধরের পর বাইকের চাবি কেড়ে নেওয়া হয়। টায়ার পাংচার করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, দীর্ঘ ক্ষণ দু’জনকে বসিয়ে রাখা হয় বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
গয়ার সিনিয়র পুলিশ সুপার সুশীল কুমার জানিয়েছেন, দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, বাকি অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। জমুইয়ে এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি এবং তাঁর বন্ধুকে মারধরের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিহার। পুলিশ-প্রশাসন এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সমস্তীপুর এবং বাঁকাতেও একই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। জমুইয়ের ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সম্রাট চৌধরীর সরকারকে। সমস্তীপুর, বাঁকা এবং সম্প্রতি গয়ার ঘটনা রাজ্যে মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।