দিল্লি বিমানবন্দর থেকে সকালে তাঁর বিমান ছিল। বিশ্রামের জন্য দিল্লির এক হোটেলে ছিলেন ওই বিমানের পাইলট। শুক্রবার সন্ধ্যায় হোটেলের ঘর থেকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পাইলটের মৃত্যুতে দুঃখপ্রকাশ করেছে এয়ার ইন্ডিয়া।
মুম্বইয়ের বাসিন্দা ছিলেন ওই পাইলট। আগে তিনি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসে কর্মরত ছিলেন। দিন কয়েক আগেই এয়ার ইন্ডিয়ায় আসেন। শনিবার সকালে দিল্লি থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার এক বিমানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সেই কারণে দিল্লির বসন্ত কুঞ্জ এলাকার একটি হোটেলে ছিলেন ওই পাইলট। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার সন্ধ্যায় বসন্ত কুঞ্জ উত্তর থানায় ফোন করে ওই পাইলটের অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেওয়া হয়।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে ওই পাইলটের ভাই বার বার ফোন করেন। দাদা সাড়া না-দেওয়ায় সন্দেহ হয়। তখন ওই হোটেলের ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। ম্যানেজার গিয়ে দেখেন ওই পাইলটের ঘর ভিতর থেকে বন্ধ। বেল বাজিয়ে বার বার ডেকেও কোনও লাভ হয়নি। তখন ‘মাস্টার কি’ দিয়ে ঘরের দরজা খোলেন ম্যানেজার। দেখেন হোটেলের বিছানার উপর অচৈতন্য অবস্থায় প়ড়ে রয়েছেন ওই পাইলট। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে ওই পাইলটকে হাসপাতালে পাঠায়।
আরও পড়ুন:
ময়নাতদন্তের পর শনিবার ওই পাইলটের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হতে পারে ওই পাইলটের। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না-পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত ভাবে কিছু বলতে চাইছে না পুলিশ।