E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

ই-২০: মোদীর বাসভবন অভিযানে কেজরীওয়াল

শনিবার অরবিন্দ কেজরীওয়াল দিল্লির রফি মার্গে মবলঙ্কর সভাগৃহে ই-২০ পেট্রলের বিরুদ্ধে জনসভা করেছেন। সংসদ ভবন থেকে শ’তিনেক মিটার দূরে এই সভাগৃহে প্রায়ই রাজনৈতিক অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ অগস্ট ২০২৬ ০৮:০১
(বাঁ দিকে) নরেন্দ্র মোদী এবং অরবিন্দ কেজরীওয়াল (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) নরেন্দ্র মোদী এবং অরবিন্দ কেজরীওয়াল (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের উপর পুলিশি হামলার অভিযোগ তুলে বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী-সহ কংগ্রেস নেতারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন। এ বার ই-২০ পেট্রলের বিরুদ্ধে অরবিন্দ কেজরীওয়াল আগামী মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন অভিযানের ঘোষণা করলেন। ই-২০ পেট্রলের ফলে আমজনতার গাড়ির মাইলেজ কমে যাচ্ছে, গাড়ির ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশের ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে কেজরীওয়ালের দাবি, পেট্রল পাম্পে ই-২০ পেট্রলের সঙ্গে বিশুদ্ধ পেট্রল কেনার বিকল্পও রাখা হোক। বিশুদ্ধ পেট্রলের দাম যেন ই-২০ পেট্রলের থেকে কম হয়।তাঁর দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পেট্রলের দাম কমিয়ে লিটার প্রতি ৮৪ টাকা ঠকরা হোক।

শনিবার অরবিন্দ কেজরীওয়াল দিল্লির রফি মার্গে মবলঙ্কর সভাগৃহে ই-২০ পেট্রলের বিরুদ্ধে জনসভা করেছেন। সংসদ ভবন থেকে শ’তিনেক মিটার দূরে এই সভাগৃহে প্রায়ই রাজনৈতিক অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। কিন্তু এ দিনের সভাঘিরে গোটা রফি মার্গ দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী, র‌্যাফ নামিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রের খবর, গত সপ্তাহে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবির পড়ুয়াদের ‘সংসদ চলো’ অভিযানে অশান্তির কথা মাথায় রেখেই এই নিরাপত্তা। এ দিন সমাজকর্মী তেহসিন পুনাওয়ালা ই-২০-র বিরুদ্ধেদিল্লিতে মিছিলের ডাক দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, দিল্লি পুলিশ তাঁকে শনিবার সারা দিন ঘরবন্দি করে রেখেছিল।

এত দিন বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গডকড়ীর ছেলেদের ইথানল তৈরির ব্যবসা রয়েছে বলে মোদী সরকার পেট্রলে ২০ শতাংশ ইথানল মিশিয়ে ই-২০ পেট্রল ব্যবহার বাধ্যতামূলক করছে, আর তার ফলে গাড়ির মাইলেজ কমছে, যন্ত্রাংশেরও ক্ষতি হচ্ছে। এ বার কেজরীওয়াল অভিযোগ তুললেন, গডকড়ীর ছেলেদের জন্য নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসলে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে ই-২০ পেট্রল কিনতে দেশের মানুষকে বাধ্য করছেন। শুধু আমেরিকা থেকে বছরে ২৫০ কোটি ডলার খরচ করে ১০০ কোটি লিটার ইথানল আমদানি হচ্ছে। ফলে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে না। পেট্রলের দামও কমছে না। কারণ পেট্রলের থেকে ইথানল দামি। কেজরীওয়ালের কটাক্ষ,‘‘এপস্টিন ফাইল না কি আদানিদের বিরুদ্ধে মামলা, কী কারণে মোদীজি ট্রাম্পকে সন্তুষ্ট রাখতে চাইছেন, তা জানি না!’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Narendra Modi Arvind Kejriwal

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy