দীর্ঘদিন ধরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত স্বামীকে পরকীয়া প্রেমের জেরে খুনের অভিযোগ উঠল স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে। অবলাহল্লি থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই নিহতের স্ত্রী শাহিনা বানু, শাশুড়ি হাসিনা বানু এবং স্ত্রীর প্রেমিক নহিমুদ্দিন কুরেশিকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, বেঙ্গালুরুর কিথাগানুরে গত ৯ সেপ্টেম্বর ঘটনাটি ঘটে। নিহতের নাম মুবারক। মুবারক-শাহিনার প্রায় ২০ বছরের বিবাহিত জীবন। গত দু’বছর ধরে বছর চল্লিশের মুবারক পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে শয্যাশায়ী ছিলেন। পুলিশকে শাহিনা জানিয়েছেন, অসুস্থ স্বামীর সেবা করতে করতে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। এর মধ্যেই তাঁদের অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসার সূত্র ধরে কুরেশির সঙ্গে শাহিনার আলাপ হয় এবং পরে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ, ওই প্রেমিকের পরামর্শেই নিজের মা হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমের মধ্যে মুবারককে শ্বাসরোধ করে খুন করেন শাহিনা।
খুনের পর শাহিনা আত্মীয়দের জানান, তাঁর স্বামীর হৃদ্রোগে মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু নিহতের ভাইয়ের সন্দেহ হওয়ায় তিনি অবলাহল্লি থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন। পরে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে শ্বাসরোধ করে খুনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতের গোপনাঙ্গেও আঘাতের চিহ্ন মিলেছে।
আরও পড়ুন:
অন্য দিকে, মধ্যপ্রদেশের বারওয়ানি জেলাতেও প্রকাশ্যে এসেছে স্বামীকে খুনের একটি পৃথক ঘটনা। চরিত্র নিয়ে সন্দেহ ও নিত্য অশান্তির জেরে সেখানে স্বামীকে কুঠার দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে ৬০ বছর বয়সি এক প্রৌঢ়ার বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ৩১ অগস্ট ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পর পুলিশকে না জানিয়েই তড়িঘড়ি দেহ সৎকার করে দেয় পরিবার। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত স্ত্রী দাবি করেন, লোহার পাতে পড়ে ঘাড়ে চোট পেয়ে মৃত্যু হয়েছে স্বামীর। কিন্তু ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ দেখে পুলিশের সন্দেহ বাড়ে। থানার এসএইচও সুখলাল ভঁওর জানিয়েছেন, কড়া জেরার মুখে শেষমেশ স্বামীকে খুনের কথা স্বীকার করে নেন ওই প্রৌঢ়া।