E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে শরিকি চাপে বিজেপি

র্তমানে জেডিইউ ও টিডিপি— দুই দলেরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এক জন করে পূর্ণমন্ত্রী ও এক জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। স্বভাবতই আসন্ন রদবদলে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর উপরে জোর দিয়েছে উভয় দল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অগস্ট ২০২৬ ০৯:৩১

— প্রতীকী চিত্র।

দিল্লির মসনদ দখলের এক যুগ পরে এই প্রথম বেশ বেকায়দায় নরেন্দ্র মোদী সরকার। এই প্রেক্ষাপটে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হতে চলেছে। প্রশ্ন ফাঁস, যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ, মূলবৃদ্ধির মতো নানা কারণে চাপে থাকা বিজেপি নেতৃত্বের উপরে চাপ বাড়াচ্ছে শরিকেরা। মন্ত্রিসভায় নিজেদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর উপরে জোর দিচ্ছেন জেডিইউ ও টিডিপি নেতৃত্ব। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদদের দল এনসিপিআই-এর এনডিএতে যোগদান এবং ডিএমকে ও বিজেপির কাছাকাছি আসা মন্ত্রিসভার পদ বণ্টনের সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বর্তমানে জেডিইউ ও টিডিপি— দুই দলেরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এক জন করে পূর্ণমন্ত্রী ও এক জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। স্বভাবতই আসন্ন রদবদলে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর উপরে জোর দিয়েছে উভয় দল। সম্প্রতি জেডিইউ নেতৃত্বের তরফে বিজেপিকে জানানো হয়েছে, দল থেকে আরও এক জন পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী করতে হবে। দলের একটি অংশ নীতীশকে রেলমন্ত্রী হিসেবে দেখার পক্ষপাতী। জেডিইউ সূত্রের বক্তব্য, যে হেতু দল বিহারে বিজেপিকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়েছে, তাই তাঁরা চান মন্ত্রিসভায় তাঁদের দলের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো হোক। টিডিপি-ও আরও দু’টি পূর্ণমন্ত্রীর জন্য সুর চড়িয়েছে। তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম দু’বছরে দুই শরিক আগাগোড়া সরকারের পাশে থেকেছে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির পক্ষে উভয় শরিকের দাবি না মানা হলে তা জোটের ভবিষ্যতে প্রভাব ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। এ যাত্রায় নিজেদের অধিকারের প্রশ্নে সরব একনাথ শিন্দের শিবসেনা। সূত্রের মতে, একনাথ তাঁর ছেলে সাংসদ শ্রীকান্তের জন্য পূর্ণ মন্ত্রিত্ব ও একটি প্রতিমন্ত্রীর পদ চেয়ে গোঁ ধরেছেন। বিজেপি খুব ভাল করেই বুঝতে পারছে, শিন্দের দাবি না মানা হলে তার প্রভাব পড়তে পারে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে।

বিজেপির চাপ বাড়িয়েছে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদদের এনসিপিআই এবং ডিএমকে। তাঁরা যে এনডিএ-তে আছেন, তা গোড়া থেকেই বলে আসছেন এনসিপিআই নেতৃত্ব। বড় শরিক দল হিসেবে এনসিপিআই নেতৃত্ব মনে করেন, একটি পূর্ণমন্ত্রিত্ব ও দু’টি প্রতিমন্ত্রীর পদ পাওয়া উচিত তাঁদের। তবে এই নিয়ে বিজেপির সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি এনসিপিআইয়ের। ডিএমকে যদি শেষ পর্যন্ত এনডিএ-তে যোগদান করে, সে ক্ষেত্রে তারাই হবে সবচেয়ে বড় শরিক। সে ক্ষেত্রে মন্ত্রিত্ব পাওয়া নিয়ে তারাও যে দর কষাকষি করতে ছাড়বে না, তা বিলক্ষণ বুঝতে পারছেন বিজেপি নেতারা।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
BJP NDA

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy