E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

অখিলেশরা কোথায়, ‘ইন্ডিয়া’ খোঁচা বিজেপির

দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকায় বিভিন্ন পোস্টার দেখা যায়। যাতে ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চ এবং মঞ্চের নেতাদের ধরে ধরে আক্রমণ শাণানো হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:২৯
‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের নেতৃত্ববৃন্দ।

‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের নেতৃত্ববৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত।

বসার আগেই ভাঙা হাট— এই ভাবেই আজ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের বৈঠককে ব্যাখ্যা করলেন বিজেপি নেতৃত্ব। শাসক দলের প্রশ্ন, অখিলেশ কোথায়? কেন বৈঠকে যোগ দিলেন না স্ট্যালিন, অরবিন্দ কেজরীওয়ালেরা!

নির্বাচন কমিশন কাণ্ডে দীর্ঘদিন বাদে অক্সিজেন পেয়েছে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’। কমিশন তথা শাসক দলের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক লড়াইয়ের কৌশল ঠিক করতে আজ দিল্লিতে বৈঠকে বসেন ‘ইন্ডিয়া’ নেতৃত্ব। আজ সকালে মধ্য দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকায় বিভিন্ন পোস্টার দেখা যায়। যাতে ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চ এবং মঞ্চের নেতাদের ধরে ধরে আক্রমণ শাণানো হয়েছে। ‘জিতলে নির্বাচন কমিশনকে তালি, আর হারলে গালি’–জাতীয় পোস্টার লাগানোর পিছনে কারা তা স্পষ্ট না হলেও, ‘ইন্ডিয়া’-র দাবি, পোস্টারের ভাষা থেকেই স্পষ্ট, এর পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে।

বৈঠকে এসপি নেতা অখিলেশ যাদব, ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিন, আপ নেতা অরবিন্দ কেজরীওয়ালের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিজেপি। অখিলেশ অবশ্য দুই প্রতিনিধিকে বৈঠকে পাঠিয়েছিলেন। বাকিরা তা-ও নয়। যা নিয়ে আজ কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহানের কটাক্ষ, “বৈঠক শুরুর আগেই, জোট ভেঙে গেল।” পাল্টা যুক্তিতে অখিলেশ শিবির জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে দলের প্রার্থীদের রাজ্যসভার মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়ে উপস্থিত থাকায় অখিলেশ আসতে পারেননি। পরিবর্তে প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন। পরে অখিলেশ সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘বিজেপির সবচেয়ে বড় দুঃখ হল, বিরোধীরা একজোট!’

বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, বিরোধীরা এতটাই নিজেদের স্বার্থ নিয়ে ভাবিত যে নেতা হিসেবে রাহুল গান্ধীকে মেনে নিতে আদপেই রাজি নন। যদিও ‘ইন্ডিয়া’ শিবিরের বক্তব্য, এখনই কাউকে নেতা বেছে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে হটাতে গেলে ডিএমকে বা আপের মতো বিরোধী দলের যে এক মঞ্চে আসা উচিত তা ঘরোয়া ভাবে মেনে নিচ্ছে তারা। এ নিয়ে দু’বার ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকে প্রতিনিধি পাঠাল না ডিএমকে। পঞ্জাবে সামনেই ভোট। ওই রাজ্যে আপের অন্যতম প্রতিপক্ষ কংগ্রেস। তাই ভোটের আগে দু’দলের এক মঞ্চে আসা যে সমস্যার তা মেনে নিচ্ছেন রাজনীতিকেরা। তবে দল মনে করছে, জগন্মোহনের মতো যাঁরা এনডিএ-র দিকে ঝুঁকে রয়েছেন, কিংবা কিছুটা নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা বিআরএস, বিজেডি বা টিভিকে-র মতো দলগুলির উচিত গণতন্ত্র বাঁচাতে ‘ইন্ডিয়া’য় শামিল হওয়া। টিভিকে আজ না এলেও, তাঁদের এক বিধায়কের সদস্য পদ বাঁচাতে শীর্ষ আদালতে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
BJP Akhilesh Yadav Samajwadi Party Arvind Kejriwal AAP MK Stalin DMK

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy