E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

বিরোধী-আপত্তির মধ্যেই রাজ্যসভায় সিএপিএফ বিল

বর্তমানে বিভিন্ন আধা সামরিক বাহিনীতে (সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি, এসএসবি) বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে। সেগুলি এক ছাতার তলায় আনতে সিএপিএফ বিলটি এনেছে সরকার।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ০৮:৪৩

—প্রতীকী চিত্র।

দীর্ঘ টালবাহানার পরে আজ রাজ্যসভায় পেশ হল সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স (সিএপিএফ) বিল। বিলটি এনে সরকার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অগ্রাহ্য করছে, এই যুক্তিতে সরব হয়ে বিল পেশের বিরোধিতা করে বিরোধী দলগুলি। যদিও ধ্বনি ভোটে জিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই শেষ পর্যন্ত বিলটি পেশ করেন।

বর্তমানে বিভিন্ন আধা সামরিক বাহিনীতে (সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি, এসএসবি) বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে। সেগুলি এক ছাতার তলায় আনতে সিএপিএফ বিলটি এনেছে সরকার। পাশাপাশি ওই বিলে আধা সেনার ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) পর্যায়ের ৫০ শতাংশ পদ, অতিরিক্ত ডিজি পর্যায়ের ৬৭ শতাংশ পদ এবং বিশেষ ডিজি ও ডিজি পদে আইপিএস অফিসারদের নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে। যা নিয়ে আপত্তি রয়েছে আধা সেনায় সরাসরি যোগ দেওয়া ‘এ’ শ্রেণির ক্যাডারদের। এ যাবৎ বাহিনীর শীর্ষ পদে বসে এসেছেন আইপিএস অফিসারেরা। যা পাল্টাতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় আধা সেনাদের সংগঠন। গত বছর শীর্ষ আদালত আধা সেনা ক্যাডারদের পক্ষে রায় দিয়ে আধা সেনায় আইপিএস অফিসারদের বাইরে থেকে নিয়োগ কমিয়ে আনার পরামর্শ দেয় কেন্দ্রকে।

কিন্তু আজ সরকার যে বিল পেশ করেছে তা সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরিপন্থী বলে দাবি বিরোধী দলগুলির। বিল পেশের বিরোধিতা বক্তব্য রাখতে চান বিরোধী সাংসদেরা। গোড়ায় রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ বিরোধীদের বক্তব্য রাখার সুযোগ না দিলেও, পরে তাঁদের এক মিনিট করে বলার সুযোগ দেন। তৃণমূল কংগ্রেসের দল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেবল ওই বিলটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বিরোধী বলে বক্তব্য শেষ করে বাকি চল্লিশ সেকেন্ডের মতো সময় ধরে নীরব প্রতিবাদ জানান। ডিএমকের তিরুচি শিবা বলেন, ‘‘বিলটি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে নস্যাৎ করার লক্ষ্যেই আনা হয়েছে।’’

পাল্টা যুক্তিতে সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় এসেছে ঠিকই, কিন্তু আমি সত্যিই বুঝতে পারছি না মাননীয় সদস্যেরা কী ভাবে নিজেদের দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন। কারণ আইন বানানো সংসদের কাজ।’’ এর পরে ধ্বনি ভোটে প্রস্তাব পাশ হলে বিলটি পেশ করেন নিত্যানন্দ রাই।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Rajya Sabha New Bill

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy