জ্ঞানেশ কুমারকে সামনে রেখে নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। আর ঠিক সেই সময়েই মোদীর টানা ২৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী থাকার সাফল্য নিয়ে প্রচারে নামছে কেন্দ্রীয় সরকার তথা বিজেপি।
আজ গোটা বিরোধী শিবিরের সাংসদরা জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’ করে বিজেপিকে নির্বাচনে জিততে সাহায্য করার অভিযোগে তাঁর ইস্তফার দাবিতে সংসদ থেকে নির্বাচন সদন অভিযান করেছেন। আর সেখান থেকে মিনিট দুয়েকের দূরত্বে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে মোদীকে অভিনন্দন জানিয়ে বিশেষ প্রস্তাব পাশ হয়েছে। নরেন্দ্র মোদী ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথমবার গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। আগামিকাল তাঁর টানা মুখ্যমন্ত্রী ও তার পরে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ২৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদী ‘রাষ্ট্র প্রথম’ ও ‘নাগরিক প্রথম’-এর নীতি নিয়ে সরকারের নেতৃত্ব দেন। সেই কারণেই তাঁকে গুজরাতের মানুষ টানা তিনবার ভোটে জিতিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত করেছিল। দেশের মানুষও তাঁকে টানা তিনবার ভোটে জিতিয়ে প্রধানমন্ত্রী করেছে।
সরকারি সূত্রের ব্যাখ্যা, বিরোধীরা ২০২৪-এর নির্বাচনে মোদীর জয় নিয়েই প্রশ্ন তুলছে। রাহুল গান্ধী তথা বিরোধী দলগুলির মঞ্চ ইন্ডিয়া গত লোকসভা ভোটে মোদীর জয়, তার পরে সরকারের তৈরি সমস্ত আইনকে অবৈধ বলে দাবি করছেন। তার জবাব দিতেই মোদীর টানা ২৫ বছর সরকারের প্রধানের পদে থাকার সাফল্য তুলে ধরা জরুরি। একে নরেন্দ্র মোদীর ভাবমূর্তি উদ্ধারের ‘মরিয়া চেষ্টা’ বলে কটাক্ষ করে কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশের মন্তব্য, ‘‘ভোট চুরি হোক বা লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস, নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ জুটির কুটিল উদ্দেশ্যের মুখোশ খুলে দিতে বিরোধীরা এখন এক জোট।’’