‘ককরোচ ইজ় ব্যাক’। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র একটি এক্স হ্যান্ডল নিষিদ্ধ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই নামে ভেসে উঠল একটি নতুন এক্স হ্যান্ডল। তাতেও রয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নাম এবং আরশোলার ছবি দেওয়া পোস্টার। প্রথম পোস্টেই সেই অ্যাকাউন্টের পেজে লেখা হয়েছে, ‘ভেবেছিলেন আমাদের হাত থেকে মুক্তি পাবেন? হাসি পাচ্ছে!’
আপের প্রাক্তন কর্মী অভিজিৎ দীপকে এক সপ্তাহ আগেও আমেরিকার বস্টনে চাকরি খুঁজছিলেন। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যে সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী তরুণ প্রজন্মকে আরশোলার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে বলে বিতর্ক শুরু হওয়ার পরে তিনিই তৈরি করে ফেলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। সেখানে উঠে আসতে থাকে বেকারত্ব, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো বিষয় নিয়ে তরুণ প্রজন্মের হতাশা, প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতার প্রসঙ্গ থেকে ব্যঙ্গের মোড়কে রাজনৈতিক ভাষ্য। নিশানা মূলত কেন্দ্রের শাসক শিবির। মাত্র পাঁচ দিনেই সেই প্ল্যাটফর্মের ফলোয়ারের সংখ্যা দেড় কোটি পেরোয়।
অভিজিৎ আজ নিজের এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘যা ভাবা গিয়েছিল— ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (এক্স) অ্যাকাউন্ট আটকে দেওয়া হয়েছে।’ ককরোচ জনতা পার্টির ১.২৬ কোটি ফলোয়ার হওয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট এবং তাঁর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টও হ্যাকের চেষ্টা চলছে বলে অভিজিৎ অভিযোগ তুলেছেন। পাল্টা আরশোলা-নাশক স্প্রের নাম ধার করে চালু হয়েছে ‘লাল হিট জনতা পার্টি’ নামে একটি পেজ। তাতে বলা হয়েছে, ‘যুব সম্প্রদায়কে যারা আরশোলা বলেছে, এ বার তাদের জবাব দেওয়ার পালা।’