বিহারে আরজেডি, কংগ্রেস, বাম ও অন্য শরিকদের মধ্যে জট কাটতে কাটতে বিধানসভার নির্বাচন দোরগোড়ায় চলে এসেছিল। তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-র সঙ্গে কংগ্রেস ও অন্য দলের জোটের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে বিরোধী শিবিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। এম কে স্ট্যালিনের নেতৃত্বে ডিএমকে এখনও কংগ্রেসের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ভাবে আসন বণ্টন নিয়ে কথা বলা শুরু করেনি।
এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাঁরা অভিনেতা বিজয়ের দল টিভিকে’র সঙ্গেও কথাবার্তা বলছেন। কংগ্রেসের একাংশের মতে, বিজয় তামিলনাড়ুর তরুণদের মধ্যে বিরাট সাড়া ফেলেছেন। কংগ্রেস এ বার ডিএমকে-র সঙ্গে শুধু বেশি আসন নয়, রাজ্যসভার আসন, ডিএমকে জোট সরকারে ফিরলে ক্ষমতার ভাগ নিয়েও দর কষাকষি করছে। স্ট্যালিন রাজ্যসভার আসন ছাড়ার প্রস্তাব খতিয়ে দেখতে রাজি। কিন্তু রাজ্য সরকারে ক্ষমতার ভাগ দিতে রাজি নন। জাতীয় কংগ্রেসে তামিলনাড়ুর পর্যবেক্ষক গিরিশ চোড়নকরের বক্তব্য, ‘‘ডিএমকে পুরসভা, পঞ্চায়েত স্তরে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে নিতে রাজি হয়েছে। কংগ্রেসের ১২ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ভোট রয়েছে। কংগ্রেসও ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে।’’ রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি, মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনের সঙ্গে কে সি বেণুগোপালের বৈঠক হয়েছে। তবে স্ট্যালিন এখনও কংগ্রেসকে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনায় ডাকেননি। আজ রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ তামিলনাড়ুর সাংসদ মাণিকম টেগোর অর্থপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, ‘‘মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, সম্মান, বোঝাপড়া, গ্রহণযোগ্যতা ও কদর করা, এই চার নীতির উপরে সম্পর্ক দাঁড়িয়ে থাকে।’’