E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

গলওয়ানের পুনরাবৃত্তি কি অরুণাচলে, প্রশ্ন কংগ্রেসের

যে ২৭টি জায়গার নামকরণ করেছে ভারত তার মধ্যে রয়েছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন ‘বিতর্কিত’ গ্রাম লংজু যা ১৯৫৯ সাল থেকে চিনের দখলে রয়েছে। কিন্তু নয়াদিল্লির দাবি ওই গ্রাম ভারতীয় ভূখণ্ডের অন্তর্গত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ অগস্ট ২০২৬ ০৫:৩৩

— প্রতীকী চিত্র।

অরুণাচলে বিভিন্ন স্থানের নামকরণের কৌশলকে কাজে লাগিয়ে বেজিংকে ‘পাল্টা’ দেওয়ার পরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনে ফের ঝড়ের মধ্যেই পড়বে বলে অনুমান করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই অরুণাচল প্রদেশে চিনা আগ্রাসনের অভিযোগে সরব হয়েছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। গত কাল লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর পরে আজ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে প্রশ্ন তুলেছেন শাসক দলকে নিশানা করে। গলওয়ান কাণ্ডের পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনাও দেখছেন রণকৌশল বিশেষজ্ঞরা। আগামী মাসে ব্রিকস বৈঠকে যোগ দিতে এখনও পর্যন্ত আসা স্থির রয়েছে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। কিন্তু তিক্ততা বাড়লে তাঁর সফর নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

যে ২৭টি জায়গার নামকরণ করেছে ভারত তার মধ্যে রয়েছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন ‘বিতর্কিত’ গ্রাম লংজু যা ১৯৫৯ সাল থেকে চিনের দখলে রয়েছে। কিন্তু নয়াদিল্লির দাবি ওই গ্রাম ভারতীয় ভূখণ্ডের অন্তর্গত। কূটনীতিকদের একাংশ মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের এমন পদক্ষেপের লক্ষ্য হল ওই এলাকাগুলির উপরে ভারতের দাবি আরও জোরদার করা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘অরুণাচল প্রদেশ সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে ভারত সরকার ‘সার্ভে অব ইন্ডিয়া’ প্রকাশিত অরুণাচল প্রদেশের মানচিত্রে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে মোট ২৭টি স্থান বা বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেছে।’’ মানচিত্রে চিহ্নিত স্থানগুলির মধ্যে ২১টি আবাসিক ভূমি, চারটি গিরিপথ, একটি হ্রদ এবং একটি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। ভূমি এলাকাগুলি হল লংজু, মাজা, বিসা, বড়া কুন্দুন, ছোটো কুন্দুন, ধান বাড়ি, প্রীতনগর, বুদ্ধমন্দির, জয়রামপুর, তেরিতনগর, রামনগর, যশবন্ত গড়, সাগর, পদ্মা, জ্যোতিনগর, বৈশাখী, ছোটো রোপুক, বড়া রোপুক, শিবাজি নগর, সুনপুরা এবং কামলাং নগর। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে লংজু, মাজা, বিসা সুবনসিরির উত্তরে, যা বরাবরই ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতের কেন্দ্রে থেকেছে।

আজ খড়্গে চিনা অনুপ্রবেশের আশঙ্কাকে তুলে ধরে লিখেছেন, “গলওয়ানের পরে এ বার কি অরুণাচল প্রদেশ? অস্বস্তিকর রিপোর্ট আসছে, যে চিন অরুণাচল প্রদেশের ভিতরে ঢুকে আসছে। মোদী সরকারের অবিলম্বে এর জবাব দেওয়া উচিত। ভারত কি শেরা ৫ সেক্টরে তার টহলদারির অধিকার খুইয়েছে? এমন স্পর্শকাতর একটি সেক্টরে শীতের সময়ে ভারত কেন তার টহলদারি কমিয়ে দেয়, যেখানে পিএলএ-এর গোটা বছর উপস্থিতি বহালথাকে। ২০২০ সালের মে মাসের আগে পূর্ব লাদাখে আমাদের যেজমির দখল ছিল তা কি পুরোপুরি ফেরত পাওয়া গিয়েছে? ভুললে চলবে না ২০২০ সালে গলওয়ানে আমাদের বীর সেনারাআত্মবলিদান দিয়েছিলেন।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
India-China India-China Border Congress Central Government Arunachal Pradesh

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy