জল নামতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। তবে আশঙ্কার মেঘ এখনও কাটেনি অসমে। উজানি অসমে এখনও বহু অঞ্চল প্লাবিত। ঘরছাড়া বহু মানুষ। তাঁদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনার কাজ চলছে। বিলি করা হচ্ছে ত্রাণ। তবে দুর্গম এলাকায় সেই ত্রাণ পৌঁছোনোই বড় চ্যালেঞ্জ সরকারের। অন্য দিকে, বন্যাবিধ্বস্ত অসমে বাড়ল মৃতের সংখ্যা। সরকারি হিসেবে, অসমে এখনও পর্যন্ত বন্যার কারণে মৃত্যু হয়েছে ৮২ জনের। প্রায় দু’লক্ষ মানুষ বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত।
বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছে ভারতের মৌসম ভবন। বন্যার দুর্দশা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি অসমের অনেক এলাকাই। তার মধ্যে আবার বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে, আশঙ্কা বাসিন্দাদের। রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিবসাগর, চরাইদেও, গোলাঘাট, যোরহাট, নওগাঁও, সোনিতপুর, কামরূপ শহর। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় এই সব জলমগ্ন এলাকার ছবি পাল্টাছে। তার পরেও আশঙ্কা কাটছে না। নতুন করে বৃষ্টি হলে ওই এলাকাগুলিতে আবার জল বাড়বে।
আরও পড়ুন:
যে সব এলাকায় জল নেমেছে, সেই এলাকাগুলিতে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন বাসিন্দারা। তবে স্থানীয়দের দাবি, বসবাস করার মতো পরিস্থিতি নেই। বন্যার জলে সব কিছু ভেসে গিয়েছে। বাড়িতে কাদার স্তূপ। সেই কাদার স্তূপ সরিয়ে আবার নতুন করে বাঁচার লড়াই শুরু হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে। তাঁদের অন্যত্র কোথাও সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভাবনাও রয়েছে সরকারের।