Advertisement
E-Paper

অসমের বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি, বন্যাবিধ্বস্তদের ঘরে ফেরানোই মূল লক্ষ্য, বললেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

রাজ্যের সাত জেলার বহু এলাকা এখনও প্লাবিত। বন্যায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮২ জনের। জল নামতে শুরু করেছে ঠিকই, কিন্তু সামনে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ অগস্ট ২০২৬ ১৪:২১
বন্যাবিধ্বস্ত অসমের গোলাঘাট। ছবি: পিটিআই।

বন্যাবিধ্বস্ত অসমের গোলাঘাট। ছবি: পিটিআই।

অসমের বন্যা পরিস্থিতির গত কয়েক দিনে সামান্য উন্নতি হয়েছে। জল নামতে শুরু করেছে ঠিকই, কিন্তু প্রশাসনের সামনে এখনও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কোনও কোনও এলাকায় বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন বাসিন্দারা। কিন্তু পরিস্থিতি এমনই যে, ঘরে বসবাস করার মতো অবস্থা নেই। যেটুকু সম্বল রয়েছে, সেটুকু দিয়েই আবার ঘর মেরামতের কাজে লেগেছেন অনেকেই। রাজ্যের সাত জেলার বহু এলাকা এখনও প্লাবিত। এই দুর্যোগে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮২ জনের।

শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, কী ভাবে গৃহহীনদের আবার ঘরে ফেরানো যায়, কী ভাবে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা যায়, তার একটা রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। বন্যাবিধ্বস্তদের পুনর্বাসন এবং ঘরে ফেরানোই এখন মূল লক্ষ্য সরকারের। হিমন্ত আরও জানান, বন্যার জল নামতে শুরু করেছে। লোকজন বাসস্থানে ফিরছেন। কিন্তু এখনও একটা বড় সংখ্যক মানুষ ত্রাণশিবিরে রয়েছেন। ত্রাণবণ্টন এবং ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি জীবনযাপনের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল, কলেজ, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘‘ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মতো প্রতিষ্ঠানগুলির মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। বন্যার জেরে রাজ্যে ক্ষতির পরিমাণ কত, আগামী ৭ অগস্ট থেকে সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হবে।’’ রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দুই জেলা শিবসাগর এবং চরাইদেও। এই দুই জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলির মেরামতের জন্য ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির জন্য আড়াই লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করেছেন তিনি।

হিমন্ত জানিয়েছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে কী ভাবে তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনা যায়, সে দিকেও জোর দেওয়া হচ্ছে। শিবসাগর জেলায় ৫৫০টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত। বন্যাবিধ্বস্ত জেলাগুলিতে জুলাইয়ের বিদ্যুৎ বিল মকুব করা হবে। শুধু তা-ই নয়, এ বছরের জন্য ওই জেলাগুলিতে সম্পত্তি করও মকুব করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Himanta Biswa Sarma

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy