Advertisement
E-Paper

আটক বিক্ষোভকারীদের ‘গরম, টাটকা খাবার’ দেওয়া হয়েছিল! নেতাদের জন্যও ছিল চা-কফি, জলখাবার: দিল্লির পুলিশপ্রধান

সিজেপির ডাকা যন্তর মন্তর অভিযানের দিন মধ্য দিল্লিকে এক দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করেছিল পুলিশ। কাউকে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি যন্তর মন্তরের আশপাশে। যেখানেই জমায়েতের চেষ্টা হয়েছে, সেখান থেকে আন্দোলনকারীদের তুলে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ১২:০৭
যন্তর মন্তর অভিযান প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিলেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার।

যন্তর মন্তর অভিযান প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিলেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সিজেপির যন্তর মন্তর অভিযানের দিন আটক হওয়া আন্দোলনকারীদের ‘ভাল মানের, গরম এবং টাটকা খাবার’ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের পুলিশের লকআপেও রাখা হয়নি। রাখা হয়েছিল অস্থায়ী আটকশিবিরে। ‘দ্য হিন্দু’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হলফনামায় এমনটাই জানিয়েছেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার। দিল্লির পুলিশপ্রধানের কথায়, যে পরিস্থিতির কারণে তাঁদের আটক করা হয়েছিল, সেটি মিটে যাওয়ার পরপরই আন্দোলনকারীদের চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের মাত্র ২-৬ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গত ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তর অভিযানের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। সে দিন আন্দোলনকারীদের রুখতে শুরু থেকেই সজাগ ছিল পুলিশ। কাউকে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি যন্তর মন্তরের আশপাশে। যেখানেই জমায়েতের চেষ্টা হয়েছে, সেখান থেকে আন্দোলনকারীদের তুলে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। ওই দিনের ঘটনায় দিল্লির পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে জবাব তলব করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। ইতিমধ্যে সেই হলফনামা জমা পড়েছে আদালতে। তাতে পুলিশপ্রধান জানিয়েছেন, ওই দিন যে রাজনীতিকদের আটক করা হয়েছিল, তাঁদেরও পদমর্যাদার কথা বিবেচনা করে পূর্ণ সম্মান জানানো হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, আটক হওয়া নেতাদের এসএইচও (থানার ওসি)-র ঘরে বসতে অনুরোধ করা হয়েছিল। সেখানে তাঁদের জন্য চা-কফি এবং জলখাবারেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

আন্দোলনকারীদের যন্তর মন্তর অভিযানের দিন ইন্টারনেট পরিষেবাও আংশিক ভাবে বিঘ্নিত হয়েছিল। সে প্রসঙ্গও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার। জানিয়েছেন, সে দিন পুরো ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়নি। শুধু মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তা-ও শুধু রাইসিনা হিলের চারপাশে চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যেই এটি করা হয়েছিল।

পুলিশের বক্তব্য, ওই দিন গোয়েন্দা তথ্য এবং তাৎক্ষণিক পরিস্থিতির ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। ‘দ্য হিন্দু’র প্রতিবেদন অনুযায়ী সিজেপির নামোল্লেখ না করে হলফনামায় দিল্লির পুলিশপ্রধান লেখেন, “দেশের রাজধানীতে পুলিশ কখনই আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে দিতে পারে না। বিশেষ করে যখন এমন কোনও সংগঠন আন্দোলনের ডাক দেয়, যেখানে সাম্প্রতিক অতীতে অশান্তি, সরকারি এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তি ধ্বংস এবং অনেকের আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।” হলফনামায় গত ২০ জুলাইয়ের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, ২০ জুলাইয়ের ঘটনার পরে ১০ অক্টোবর পুলিশ কোনও ঝুঁকি নেওয়ার অবস্থায় ছিল না। উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে গত ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল সিজেপি। ওই দিনও দিল্লিতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

Gyanesh Kumar CJP Delhi Police

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy