পিএম কেয়ার্স তহবিলের টাকায় দেশে আধুনিক মানের হাজারখানেক সরকারি স্কুল গড়ার দাবি তুললেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। পিএম কেয়ার্স গঠনের ছ’বছরের মাথায় গত কাল তার অডিট রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। দেখা যায়, তাতে পড়ে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা। তা দিয়ে সরকারি শিক্ষার পরিকাঠামো উন্নত করার দাবি জানিয়ে দীপকে আজ বলেন, ‘‘একটি আধুনিক সরকারি স্কুল গড়তে যদি আট কোটি টাকা খরচ পড়ে, তা হলে ওই টাকায় হাজারখানেক সরকারি স্কুল গড়া সম্ভব।’’
আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী এক্স-এ লেখেন, ‘সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চমানের শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও প্রস্তুতির সুযোগ থাকবে, এমন একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার’। পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের অংশ হিসেবে ‘ওয়ান ডে ওয়ান ইউনিভার্সিটি’ কর্মসূচি নিচ্ছে শাসক শিবির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষা, পাঠ্যক্রম, পড়ুয়াদের আগ্রহের বিষয় নিয়ে কথা বলবেন।
সম্প্রতি সংসদের কমিটি অব এস্টিমেটের এক রিপোর্টে দাবি, এনসিইআরটি-তে ৫৬% পদ খালি। সিবিএসইতে ২,১১৭-র মধ্যে ৯৩৩ পদ খালি। ইউডিআইএসই (২০২৪-২৫) রিপোর্টের ভিত্তিতে বলা হয়, প্রাথমিকে ৬.১৮ কোটি পড়ুয়ার নাম নথিভুক্ত হলেও, ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণিতে তা নেমে আসে ৪.০৯ কোটিতে। উচ্চ মাধ্যমিকে তা হয়ে যায় ১.৬৪ কোটি।
শিক্ষা মন্ত্রকের দাবি, ২০১৩ সালে প্রাথমিকে ৩১ জন ও মাধ্যমিকে ২৫ পড়ুয়া পিছু এক জন শিক্ষক ছিলেন। গত বছরে তা দাঁড়িয়েছে প্রাথমিকে ১৯ ও মাধ্যমিকে ১৫ পড়ুয়া পিছু এক শিক্ষকে। ১০ বছর আগে ৮২.৬৯ লক্ষ শিক্ষক ছিলেন। এখন তা হয়েছে ১.০২ কোটি। এক দশকে দেশের বিদ্যুৎ রয়েছে এমন স্কুল ৫৬.৮% থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫%-এ।