যন্তর মন্তরে সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে সহপাঠীদের ‘উস্কানি’ দেওয়ার অভিযোগে গৌতম বুদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অক্ষত ত্রিপাঠীকে পাঁচ লক্ষ টাকার বন্ডে জামিনের নোটিস পাঠান গ্রেটার নয়ডার এগ্জ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়েন গৌতম বুদ্ধ নগরের জেলাশাসকমেধা রূপম, যিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কন্যা। উত্তরপ্রদেশ সরকার ওই এগ্জ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে সাসপেন্ড করল। জেলা প্রশাসন জানাল, জেলাশাসক মেধা রূপমের সঙ্গে ওই নোটিসের সম্পর্ক নেই। যেহেতু গ্রেটার নয়ডা এলাকা পুলিশ কমিশনারেটের আওতায় পড়ে, তাই এগ্জ়িকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পুলিশকর্তা রবিশঙ্কর মিশ্র ওই নোটিস জারি করেছিলেন। ভুল করে এই নোটিস জারি করা হয়েছিল।
বিরোধীদের অভিযোগ, জেলাশাসক মেধাকে আড়াল করতেই যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ সরকার এই কৌশল নিয়েছে। কারণ, বঙ্গতনয়া আকৃতি চৌধুরীর বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে মামলা, ৫ লক্ষ টাকার নোটিস জারি নিয়ে ইলাহাবাদ হাই কোর্টের তোপের মুখে পড়েছিলেন মেধা। হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ তাঁর চাকরি জীবনের ফাইলে যোগ করতে বলা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে রাজ্য।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের সামনে বৃহস্পতিবার অভিযোগ উঠেছে, যন্তর মন্তরের আন্দোলনকারী কিশোরীকে হেনস্থা করা হচ্ছে। তা শুনে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘এই ঘটনায় দোষীদের কাউকে বাঁচানো উচিত নয়।’’