E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

গ্রেফতার করতে পারবেন না জিএসটি অফিসারেরা

জিএসটি পরিষদের বৈঠকে প্রথম বার যোগ দেওয়া পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘জিএসটি থেকে পশ্চিমবঙ্গের রাজস্ব আয়ের অনেকখানি আসে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:১৬
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ফাইল চিত্র।

এক বছর আগে জিএসটি-তে কর কাঠামোর আমূল সংস্কার করে মাত্র দু’টি করের হার চালু হয়েছিল। এ বার জিএসটি-তে দ্রুত রিফান্ড, সহজে কর জমার ব্যবস্থা করতে বড় মাপের প্রক্রিয়াগত সংস্কারের সিদ্ধান্ত হল। সেই সঙ্গে জিএসটি-র কর অফিসারদের গ্রেফতারির ক্ষমতাও তুলে দেওয়া হল।

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে জিএসটি পরিষদের বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, করের বোঝা কমানোর পরে এ বার দ্রুত রিফান্ড, কাঁচা মালে মেটানো কর ফেরত পাওয়ার সহজ উপায়, নিয়মকানুন মানার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তৈরি করে ব্যবসার পরিবেশ আরও সহজ করার চেষ্টা হয়েছে। জিএসটি-তে কর ফাঁকির মতো অপরাধ হলে অবশ্যই আইনে অভিযুক্তকে কাঠগড়ায় তোলার ব্যবস্থা থাকবে। রাজ্য পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার করতেও পারবে। তবে শুধু সন্দেহের বশে জিজ্ঞাসাবাদ করতে এত দিন জিএসটি কর অফিসারদের যে গ্রেফতারির ক্ষমতা ছিল, তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ফৌজদারির মামলার ক্ষেত্রেও কর ফাঁকির সীমা ১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। সাধারণ জরিমানার পরিমাণ ২৫ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে। ন্যূনতম শাস্তি তুলে দেওয়া হয়েছে। জরিমানা বা কারাদণ্ড, যা-ই হোক না কেন, তা বিচারবি‌ভাগের উপরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জিএসটি পরিষদের বৈঠকে প্রথম বার যোগ দেওয়া পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘জিএসটি থেকে পশ্চিমবঙ্গের রাজস্ব আয়ের অনেকখানি আসে। সে দিক থেকে এ বারের বৈঠকে যে প্রক্রিয়াগত সংস্কার হল, ব্যবসার পরিবেশ সহজ করার যে সব পদক্ষেপ করা হল, তাতে দীর্ঘ মেয়াদে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্য লাভবান হবে।’’ বৃহস্পতিবার জিএসটি পরিষদের বৈঠকে রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের সঙ্গে কর্নাটক, গোয়া, কেরলের মতো একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা যোগ দিয়েছিলেন।

বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিবৃতি দিয়ে জিএসটি সংস্কারকে স্বাগত জানিয়েছেন। সীতারামন বলেন, ‘‘কাঁচা মালে মেটানো কর ফেরত বা মূল পণ্যের থেকে কাঁচামালে বেশি করের হারের মতো অধিকাংশ সমস্যারই এখন সমাধান হয়ে গিয়েছে। বলা যেতে পারে, পরবর্তী প্রজন্মের জিএসটি-র ক্ষেত্রে, তা সে করের কাঠামো হোক বা প্রক্রিয়াগত বিষয়, ৯৯ শতাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
GST Nirmala Sitharaman

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy