লিভ ইন সঙ্গীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে গুজরাতের ভবনগরের এক যুবকের বিরুদ্ধে। তাঁকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। শনিবার অভিযুক্তকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়া হয়। যে বাসস্ট্যান্ডের সামনে তরুণীকে খুনের অভিযোগ ওঠে, সেখানে লিভ ইন সঙ্গীকে নিয়ে গিয়ে অভিযুক্তকে জনসমক্ষে বেধড়ক লাঠিপেটা করে পুলিশ। সমাজমাধ্যমে এই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার পর নানা রকম মন্তব্য নজরে এসেছে। কেউ বলছেন, এই দৃশ্য দেখে তালিবান শাসিত আফগানিস্তান বা ইরানের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। কেউ আবার এই ধরনের শাস্তিকে সমর্থন জানিয়েছেন। অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন, পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে। ফলে এই ঘটনা নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।
অভিযুক্তের নাম ফয়জ়ল ওরফে খাটকি লখানি। কাজলবেন বরাইয়া নামে এক তরুণীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে লখানির বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েক বছর ধরে দু’জনে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর ভবনগর বাসস্ট্যান্ডের কাছে কাজলবেনকে মারধর করা হয়। চিকিৎসা চলাকালীন পর দিন মৃত্যু হয় তাঁর। সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লখানিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
শনিবার অভিযুক্তকে ভবনগর বাসস্ট্যান্ডের কাছে হত্যাস্থলে নিয়ে গিয়েছিল নীলমবাগ থানার পুলিশ। তাঁকে দড়ি বেঁধে হাঁটানো হয়। তার পর লাঠিপেটা করা হয়। লাঠি দিয়ে মারতে মারতে তাঁকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৩ সেপ্টেম্বর কাজলবেন এবং তাঁর বন্ধু রবির সঙ্গে বচসা হয় লখানির। তাঁর সন্দেহ ছিল, রবির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে কাজলবেনের। যদিও পুলিশের কাছে রবি দাবি করেছেন, মদ খাওয়াকে কেন্দ্র করে বচসা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, কাজলবেনকে রাস্তায় ফেলে মারধর করেন লখানি। তাঁর বুকে-পেটে লাথি, ঘুষি মারেন। এমনকি পাথরে মাথা ঠুকে দেন। গুরুতর আহত হন কাজলবেন। পর দিন তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, লখানির বিরুদ্ধে ডাকাতি এবং মারধরের ঘটনার মামলা ঝুলছে।