E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

আজ এসআইআর শুনানি, ট্রাইবুনাল নিয়ে হরেক প্রশ্ন

প্রথমে পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ কংগ্রেসের এসআইআর কমিটির চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ বসু, তার পরে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ অগস্ট ২০২৬ ০৯:০৯
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ট্রাইবুনালে কত আবেদন জমা পড়েছে? কত আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে? নির্বাচন কমিশনের কাছে খতিয়ান চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর ফলে যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের অন্নপূর্ণা যোজনা, রেশনের মতো জনকল্যাণ প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া যায় কি না, তা নিয়েও রাজ্য সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

প্রথমে পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ কংগ্রেসের এসআইআর কমিটির চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ বসু, তার পরে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং রাজ্য সরকারের তরফ থেকে সুপ্রিম কোর্টে কোনও হলফনামা জমা পড়েনি বলে মামলার আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার আইনজীবীদের তরফে সুপ্রিম কোর্টের কাছে এসআইআর ট্রাইবুনালে আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো, ট্রাইবুনালের কাজের অগ্রগতি নিয়ে অনলাইন পোর্টাল তৈরির আবেদন জানানো হবে। মামলাকারীদের অভিযোগ, এসআইআর ট্রাইবুনাল নিয়ে সচেতনতার অভাবে বহু মানুষ আবেদন করেননি। অনেকে অনলাইনে আবেদন করা কঠিন বুঝে সরাসরি কাগজে, কলমে আবেদন করেছেন। কিন্তু সেই সব আবেদন কতখানি অনলাইনে ‘আপলোড’ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

রাজ্যের এসআইআর-এ তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকায় থাকা ৬০ লক্ষের বেশি নাম বিচারাধীন ছিল। তার মধ্যে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রায় ৩৩ লক্ষ মানুষকে ছাড়পত্র দিয়েছিলেন। বাকি প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষ ভোট দিতে পারেননি। তাঁদের জন্য সুপ্রিম কোর্ট অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের ট্রাইবুনাল গঠন করেছিল। কলকাতা হাই কোর্ট সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছিল, ১১ এপ্রিল পর্যন্ত হিসেবে ট্রাইবুনালে ৩৪ লক্ষের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। যার অর্থ, নাম বাদ যাওয়া ২৭ লক্ষের সকলে যদি আবেদন করে থাকেন, তার পরে নির্বাচন কমিশনের তরফে আরও ৭ লক্ষ নাম কেটে দেওয়ার জন্য আবেদন জমা পড়েছে।

কিন্তু রাজ্য প্রশাসনের একটি সূত্রে বলা হয়েছে, নাম বাদ যাওয়া আবেদনকারীদের মধ্যে ৭ লক্ষ আবেদন করেছেন। যার অর্থ, নির্বাচন কমিশন ওই ৩৩ লক্ষ ছাড়পত্র পাওয়া ভোটারদের মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম কেটে দেওয়ার আবেদন করেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, কত আবেদনের ফয়সালা হয়েছে, সব ফয়সালা করতে কত সময় লাগবে, এর কোনও তথ্যই প্রকাশ করা হচ্ছে না। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলেছে, ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার অর্থ নাগরিকত্ব চলে যাওয়া নয়। অথচ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়ারা নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Supreme Court of India

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy