Advertisement
E-Paper

ব্রিক্‌সের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সফরেও দিল্লি আমন্ত্রণ জানাল তারেককে! হাসিনা এবং হাদির প্রসঙ্গে কী বলল বিদেশ মন্ত্রক?

তারেক রহমান কি ব্রিক্‌স সম্মেলনের জন্য ভারতে আসবেন? নয়াদিল্লি অনেক দিন আগেই আমন্ত্রণ জানালেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি ঢাকা। এই অবস্থায় তারেককে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্যও ফের আমন্ত্রণ জানাল দিল্লি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ অগস্ট ২০২৬ ২০:০৩
(বাঁ দিকে) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

শুধু ব্রিক্‌স সম্মেলনেই নয়, দ্বিপাক্ষিক সফরেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। মঙ্গলবার এমনটাই জানাল নয়াদিল্লি। তবে তারেক কবে আসবেন বা আদৌ আসবেন কি না— তা নিশ্চিত ভাবে জানায়নি ভারত।

দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাংবাদিক বৈঠককে কেন্দ্র করে নতুন করে দিল্লি-ঢাকা চাপানউতর তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে আসন্ন ব্রিক্‌স সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য অনেক আগেই তারেককে আমন্ত্রণ করেছে দিল্লি। সেই আমন্ত্রণের প্রাপ্তিস্বীকারও করেছে ঢাকা। তবে তারেক এ দেশে আসবেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানায়নি বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’র এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তারেকের ভারতে আসার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সোমবার ঢাকায় তারেকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে ওই বৈঠকের কথা তুলে ধরেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সবাল। তিনি জানান, ঢাকার ওই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রণধীর বলেন, “আমরা ব্রিকস আউটরিচ সেশনের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্যও (তারেককে) আমন্ত্রণ জানিয়েছি।”

‘প্রথম আলো’র এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারেক-দীনেশ বৈঠকে হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং বাংলাদেশি ছাত্রনেতা ওসমান হাদির খুনের ঘটনায় জড়িতদের প্রত্যর্পণের বিষয়টিও উঠে আসে। সে প্রসঙ্গেও দিল্লির অবস্থান এ দিন ফের স্পষ্ট করে দেন জয়সবাল। তিনি জানান, হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি এ সংক্রান্ত ‘প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী’ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্য দিকে, হাদির হত্যায় অভিযুক্তদের প্রত্যর্পণের বিষয়টিও একটি আইনি বিষয় এবং সে নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র।

গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তারেক। বিদেশ মন্ত্রক জানায়, সেই সময়েই তাঁকে ভারত সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বস্তুত, বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্কে এক শৈত্য তৈরি হয়েছিল। তারেক ক্ষমতায় আসার পরে দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক মজবুত করতে ফের উদ্যোগী হয় দু’দেশের সরকার। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের মতো তারেকের সরকারও হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি তুলেই গিয়েছে ধারাবাহিক ভাবে।

এরই মধ্যে সম্প্রতি দিল্লিতে হাসিনার সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে আবার দু’দেশের মধ্যে চাপানউতর শুরু হয়েছে। যদিও ভারত প্রথম থেকে বলে আসছে, হাসিনার সাংবাদিক বৈঠকের সঙ্গে সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই। ওই মঞ্চে যা বলা হয়েছে, তা সমর্থন করে না ভারত সরকার। কিন্তু ভারতের এই অবস্থান মানতে নারাজ বাংলাদেশ। তাদের বক্তব্য, ভারতে থাকাকালীন হাসিনা রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর সুযোগ নিচ্ছেন। ভারত সরকার যদি হাসিনাকে সেই সুযোগ করে দেয় তবে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। এ অবস্থায় সোমবার তারেক-দীনেশ বৈঠকের পরে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্যও ফের তারেককে আমন্ত্রণ জানাল নয়াদিল্লি।

India Bangladesh Ties Tarique Rahman

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy