দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র সভায় যে বিপুল জনসমাগম হবে, প্রথমে তা টের পায়নি দিল্লি পুলিশ। তবে সেই ঘটনা থেকে এ বার শিক্ষা নিতে চাইছে তারা। আন্দোলনকারী এবং বিক্ষোভ কর্মসূচির সংগঠকদের খুঁটিনাটি তথ্য এ বার নিজেদের হাতে রাখতে চাইছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন দিল্লি পুলিশ।
একটি সূত্রের দাবি, সম্প্রতি দিল্লির পুলিশ কমিশনার (সিপি) অনুরাগ কুমার দিল্লি পুলিশের গোয়েন্দা শাখা স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চকে একটি নির্দেশ দিয়েছেন। সেটি হল, দেশের রাজধানীতে কোনও ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে সেটি সম্পর্কে ১০টি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ তথ্য হাতে রাখতে হবে। এত দিন বিক্ষোভের জন্য ঘোষিত স্থান এবং সম্ভাব্য লোকসংখ্যা পুলিশের নখদর্পণে থাকত। এ বার আন্দোলনকারীদের নাম-পরিচয়, তাঁর কোন রাজ্যের বাসিন্দা, তাঁদের সংগঠিত করেছেন কে বা কারা— এই বিষয়ে যাবতীয় তথ্য নিয়ে একটি ‘ডেটা ব্যাঙ্ক’ তৈরি করতে চাইছে দিল্লি পুলিশ। কী বিষয় নিয়ে বিক্ষোভ বা আন্দোলন, তা-ও আগাম জানার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চকে।
আরও পড়ুন:
এর পাশাপাশি, পুলিশবাহিনীকে বলা হয়েছে, আন্দোলনকারীরা দিল্লির কোথায় থাকছেন, কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, সেই বিষয়েও খোঁজখবর রাখতে হবে।
গত ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। সে দিন যন্তর মন্তরে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের জমায়েত হয়। বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে মিছিল করে সংসদ ভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। ওই কর্মসূচি রুখতে পুলিশ লাঠি, কাঁদানে গ্যাসের পাশাপাশি পেলেট গান বা ছর্রা ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়টিকে ঘিরে এখনও রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত।