এক নার্সিং অফিসারকে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর লিভ ইন সঙ্গীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের ভোপালের। মৃতার নাম স্নেহলতা। গত ৮ অক্টোবর নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। তার পর থেকে তাঁর আর কোনও হদিস পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সূত্রে খবর, স্নেহলতা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে তাঁর লিভ ইন সঙ্গী সত্যপ্রকাশকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। স্নেহলতা বিহারের বাসিন্দা। তিনি পড়াশোনা এবং কর্মসূত্রে ভোপালে থাকতেন। সেখানে একটি বেসরকারি কলেজে পড়ার সময় ওই কলেজেরই কর্মী সত্যপ্রকাশের সঙ্গে আলাপ হয় স্নেহলতার। তার পর ঘনিষ্ঠতা থেকে লিভ ইন সম্পর্ক।
সত্যপ্রকাশ বিবাহিত। স্নেহলতার সঙ্গের সম্পর্কের পর তাঁদের এক সন্তানেরও জন্ম হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, সন্তান জন্মানোর পর থেকেই স্নেহলতার সঙ্গে অশান্তি শুরু হয় সত্যপ্রকাশের। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে হবে বলে সত্যপ্রকাশের কাছে দাবি করেন। কিন্তু সত্যপ্রকাশ তা মানতে রাজি হননি। তা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই মনোমালিন্য চলছিল। গত ৮ অক্টোবর স্নেহলতাকে সত্যপ্রকাশ জানান তাঁরা কানপুরে ঘুরতে যাবেন। স্নেহলতা রাজিও হয়ে যান। কিন্তু সত্যপ্রকাশের অন্য পরিকল্পনা ছিল। স্নেহলতাকে কানপুরে না নিয়ে গিয়ে এটাওয়াতে নিয়ে যান। অভিযোগ, সেখানে তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। তার পর কুমিরভর্তি নদীতে দেহ ফেলে দেন। তাঁর ধারণা ছিল, কুমিরের পেটে লিভ ইন সঙ্গীর দেহ চলে গেলে পুলিশ কোনও প্রমাণ পাবে না। ফলে তাঁর ধরা পড়ার সম্ভাবনাও থাকবে না। এমনকি সেখান থেকে ফিরে ভিন্ড কোতওয়ালি থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরিও করেন। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি।