এসসিও সম্মেলনের পার্শ্ব-বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের ঠিক পরেই ইউক্রেনগামী বিমানে চড়ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। কাল তিনি রওনা হচ্ছেন তিন দিনের ইউক্রেন এবং পোল্যান্ড সফরে। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, জয়শঙ্কর বৈঠক করবেন ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহার সঙ্গে।
এই সফরটি এমন সময়ে হচ্ছে, যখন রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ নতুন করে এই দু’দেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত কাল জার্মানি রাশিয়ার নিন্দা করেছে ইউক্রেনের বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার জন্য। আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংগঠনগুলির ধারণা, পুতিন যুদ্ধের বহর আরও বাড়িয়ে দেবেন অচিরেই। আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার অনুমান, রাশিয়া ইউরোপের বিরুদ্ধে সামরিক ও সাইবার হানার পরিকল্পনা করছে এক-দেড় বছরের মধ্যে।
মোদী-পুতিনের সাম্প্রতিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে, এই যুদ্ধ যে ভাবেই হোক শেষ করতে হবে। তিনি বলেছেন, “যুদ্ধে প্রতিদিন মানবতা পিছিয়ে যেতে থাকে। শান্তির পথে এক কদম এগোলে প্রকৃত আশার আলো দেখা যেতে পারে। আমাদের সে দিকেই এগোতে হবে।” এটা ঘটনা যে আনুষ্ঠানিক ভাবে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় ভারত নেই। তবে অনেক সূত্রে এ কথা বারবার সামনে এসেছে যে, আমেরিকায় এর আগে জো বাইডেন সরকার চিন ও ভারতকে এক সূত্রে গাঁথতে পেরেছিল, পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার থেকে পুতিনকে বিরত রাখার জন্য। পরমাণু অস্ত্রের হুমকি ইউক্রেন ও পশ্চিমি বিশ্বকে লাগাতার দিয়ে আসছে রাশিয়া। সূত্রের খবর, রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠকের পরেই বিদেশমন্ত্রীর ইউক্রেন যাওয়া তাৎপর্যপূর্ণ। পরিস্থিতি প্রশমিত করতে কোন বার্তা তিনি দেন, তা-ই দেখার।