E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

অনুদান বিল কমিটিতেই পাঠাতে হল কেন্দ্রকে

গত মার্চ মাসে বাজেট অধিবেশনে বিলটি লোকসভায় পেশ করেছিল নরেন্দ্র মোদী সরকার। বিদেশ থেকে আসা অর্থের সাহায্যে যে ব্যক্তি বা সংস্থা দেশে ধর্মান্তরণে সক্রিয়, তাঁদের আটকাতে সংশোধনী বিলটি আনা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ অগস্ট ২০২৬ ০৯:১৪

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিল (এফসিআরএ) নিয়ে পিছু হটতে বাধ্য হল নরেন্দ্র মোদী সরকার। বিরোধীরা ওই বিলটিকে বাতিলের দাবি করলেও, শেষ পর্যন্ত বিলটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটি (জেপিসি)-তে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল শাসক শিবির। তবে তাঁর মন্ত্রকের বিল হওয়া সত্ত্বেও আজ লোকসভায় অনুপস্থিত রইলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পরিবর্তে ওই সংক্রান্ত প্রস্তাব লোকসভায় পেশ করেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। ৩১ জন সদস্যের ওই জেপিসিতে লোকসভা থেকে থাকবেন ২১ জন। বাকিরা রাজ্যসভার। লোকসভা থেকে কারা কমিটিতে থাকবেন, আগামিকাল তাঁদের নাম জানাবেন স্পিকারওম বিড়লা।

গত মার্চ মাসে বাজেট অধিবেশনে বিলটি লোকসভায় পেশ করেছিল নরেন্দ্র মোদী সরকার। বিদেশ থেকে আসা অর্থের সাহায্যে যে ব্যক্তি বা সংস্থা দেশে ধর্মান্তরণে সক্রিয়, তাঁদের আটকাতে সংশোধনী বিলটি আনা হয়। কিন্তু কেরল ভোটের ঠিক আগে বিরোধীরা ওই বিল খ্রিস্টান-বিরোধী বলে প্রচারে নামায় আর এগোয়নি মোদী সরকার। এ বারে বাদল অধিবেশনে বিলটি পাশ করানোর পরিকল্পনা ছিল সরকারের। সংসদের দু’টি কক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যা থাকা সত্ত্বেও মূলত বিরোধী ও খ্রিস্টান সংগঠনগুলির চাপে পড়ে, বিলটি পাশ করানোর পরিবর্তে জেপিসিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় শাসক শিবির। যাকে কার্যত সরকারের পরাজয় হিসাবে দেখছেন বিরোধীরা। কংগ্রেস সাংসদ কে সি বেণুগোপাল বলেন, ‘‘এক দিকে আরএসএস কোটি-কোটি টাকার বিদেশি অনুদান পাচ্ছে, অন্য দিকে সংখ্যালঘু সমাজ পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে হেনস্থা করতে ওই বিল আনা হয়েছে।’’

আজ গোড়ায় লোকসভার কাজের সূচিতে এর কোনও উল্লেখ ছিল না। পরে অতিরিক্ত কার্যসূচিতে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অমিত শাহের ওই প্রস্তাব পেশের কথা থাকলেও, তিনি লোকসভায় অনুপস্থিত থাকায়, তা পেশ করেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। আলোচনায় ডিএমকের টিআর বালু ওই বিল বাতিলের দাবি তোলেন। এস পি নেতা অখিলেশ যাদব বলেন, ‘‘এই সরকারের এমন কোনও বিল নেই যা সংখ্যালঘু বিরোধী নয়!’’ জবাবে সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, ‘‘এফসিআরএ বিল সংখ্যালঘু রোধী-সেই প্রমাণ দিন অখিলেশ।’’ হট্টগোলের মধ্যেই বিলটি জেপিসিতে পাঠানোর প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Amendment Bill

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy