‘মঙ্গল মিলনে’ নীরব রইলেন নরেন্দ্র মোদী।
সংসদের অধিবেশন যখন চলে, তখন প্রতি মঙ্গলবার এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সাধারণত মঙ্গলবারেই ওই বৈঠক হয়ে থাকে বলে এর নাম ‘মঙ্গল মিলন’ দিয়েছে দল। গত মঙ্গলবার এই বৈঠকে নিট-এর প্রশ্ন ফাঁসকে ঘোর পাপ বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মাঝের সাত দিনে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে জাতীয় রাজনীতি। ককরোচ জনতা পার্টির চাপের কাছে নতিস্বীকার করে ইস্তফা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তোলপাড় করা একটি সপ্তাহ পেরিয়ে এসে আজকের বৈঠকে একেবারে নীরব ছিলেন মোদী। পরিবর্তে আজ বাণিজ্য চুক্তি, মৎস্য চাষের লাভ, সরকার কী ধরনের বিল আনার পক্ষপাতী— সে সব নিয়ে এনডিএ সাংসদদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন অন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।
এ ধরনের বৈঠকে মোদীর নীরবতা বিরল হলেও, নজিবিহীন নয়। বিজেপি সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক অতীতে অধিকাংশ মঙ্গল মিলনে প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু জে পি নড্ডা যখন দলের সভাপতি ছিলেন, তখন মাঝে মধ্যেই এমন বৈঠকে দলীয় সভাপতিকে বলতে দিয়ে নিজে চুপ করে থাকতেন মোদী। আজও সেই পথে হেঁটেছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও বিরোধীদের মতে, দেশের আমজনতার চাপে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা মেনে নিতে হয়েছে মোদীকে। বিশেষ করে জেন জ়ি-দের চাপে পড়ে তাঁর মতো পোড়খাওয়া রাজনীতিককে মন্ত্রিসভার এক জন সতীর্থকে খোয়াতে হবে, সেই ধাক্কা সম্ভবত এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। বিরোধীদের কটাক্ষ, সেই ধাক্কাতেই আপাতত নীরব মোদী।