গত জুলাই মাসে দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে জেন জ়ি বা তরুণদের আন্দোলনের চাপে নরেন্দ্র মোদী সরকারের শিক্ষামন্ত্রীকে ইস্তফা দিতে হয়েছিল। এখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে যখন তরুণেরা ফের আন্দোলনে নামার হুমকি দিচ্ছেন, তখন যন্তর মন্তরে আন্দোলনেই বাধা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেন আইসা সভানেত্রী নেহা বোরা। যন্তর মন্তরের আন্দোলনের সময়ে অনশন করা নেহার অভিযোগ, প্রথমে যন্তর মন্তর ও রামলীলা ময়দান ছাড়া দিল্লির আর কোথাও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ করেছে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশ। এখন যন্তর মন্তরেও আন্দোলনের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে দিল্লি পুলিশ হাজারো নিয়মের গেরো তৈরি করেছে। শুক্রবার সিপিআই (এমএল) লিবারেশন ও তাদের ছাত্র সংগঠন আইসা যন্তর মন্তরে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়েছিল। তাদের বাধা দিয়ে আটক করা হয়। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের পড়ুয়াদের আটক করে দিল্লি শহরের কেন্দ্র থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া হয়।
নেহা শনিবার অভিযোগ তোলেন, জেন জ়ি ক্ষোভের ভয়ে নির্বাচন কমিশন নতুন ভোটারদের নাম তোলার ফর্মে রদবদল করেছে। যাতে নতুন ভোটারদের নিরস্ত করা যায়। ভোটার তালিকায় বার্ষিক রুটিন সংশোধন করা হচ্ছে না। কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশের অভিযোগ, দিল্লিতে এসআইআর-এ নতুন ভোটারদের নাম তোলায় বাধা দিয়ে শেষবেলায় নির্বাচন কমিশন নতুন ভোটারদের নাম তোলার জন্য বিশেষ শিবির খুলছে। নেহার দাবি, জেন জ়ি-র আন্দোলনের পরে মোদী সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে।