Advertisement
E-Paper

চিকিৎসক এবং বিত্তশালীদের কাছে পৌঁছে দিতেন মদ! বিহারে ধৃত নেহার বাবা এবং দিদিও জেল খাটেন একই অভিযোগে

৭৫ লিটার মদ-সহ শনিবার গ্রেফতার হন নেহা। গ্রামবাসীদের দাবি, সঞ্জয় ঝা তাঁর চার কন্যাকে দরভঙ্গায় পড়াশোনার জন্য পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা মদ পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৪৮
মদ পাচারের অভিযোগ গ্রেফতার নেহা ঝা। ছবি: সংগৃহীত।

মদ পাচারের অভিযোগ গ্রেফতার নেহা ঝা। ছবি: সংগৃহীত।

বিহারের সমস্তিপুর স্টেশনে স্বতন্ত্রতা সেনানী এক্সপ্রেস থেকে ৭৫ লিটার মদ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। শুধু নেহা ঝা নন, তাঁর পরিবারের আরও দুই সদস্যও এর আগে মদ পাচারের অভিযোগে জেল খাটেন। চার বোনের মধ্যে নেহা কনিষ্ঠ।

পুলিশ সূত্রে খবর, নেহার বাবা সঞ্জয়কুমার ঝা পেশায় কৃষক। কিন্তু তার পাশাপাশি মদ পাচারের কাজও করতেন বলে অভিযোগ। ২০২৪ সালে গ্রেফতার হন তিনি। নেহার দুই ভাইও রয়েছে। এক ভাই দশম শ্রেণিতে পড়ে। আর এক ভাই নিটের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু পরীক্ষায় পাশ করতে না পারায় নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। মুজফ্ফরপুরে নেশামুক্তি কেন্দ্রে তাঁর চিকিৎসা চলছে। নেহার দিদি নিশু ঝা-ও মদ পাচারের চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দরভঙ্গা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন।

দরভঙ্গা কলেজ থেকে স্নাতক হয়েছেন নেহা। স্থানীয় সূত্রে খবর, নেহা এবং তাঁর এক দিদি দরভঙ্গায় মদ পাচার করেন। গ্রামবাসীদের দাবি, সঞ্জয় কুমার ঝা তাঁর চার কন্যাকে দরভঙ্গায় পড়াশোনার জন্য পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা ক্রমে মদ পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন বলে তদন্তে প্রকাশ। পুলিশের অভিয়োগ, অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের লোভে অপরাধজগতে পা রাখেন নেহা এবং তাঁর দিদি।

বিহারের সমস্তিপুরের সিঙ্ঘিয়া থানা এলাকায় থাকে নেহার পরিবার। বাবা সঞ্জয় গ্রেফতার হওয়ার পর পাচারচক্র সামলাতেন নেহার দিদি নিশু। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২৫ সালে নিশু গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁর স্বামী ঈশানের সঙ্গে মিলে মদ পাচারের দায়িত্ব নেন নেহা। সূত্রের খবর, মেডিক্যাল রিপ্রেজ়েনটেটিভের পরিচয়ে মদ পাচার করতেন নেহা এবং ঈশান। দরভঙ্গায় বেশ কয়েক জন চিকিৎসক এবং বিত্তশালী লোকের কাছে দামি মদ পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন তাঁরা। যদিও সেই দাবি কতটা সত্য, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

উল্লেখ্য গত শনিবার ১২৫৬২ স্বতন্ত্রতা সেনানী এক্সপ্রেসে ৭৫ লিটার মদ-সহ গ্রেফতার হন নেহা। ট্রেন থামতেই এইচ ১ কামরায় ওঠে রেলপুলিশের দল। শুরু হয় তল্লাশি। তখনই পুলিশের নজর যায় এক তরুণীর দিকে। হাতে ধরা দু’টি ট্রলিব্যাগ। তিনি প্ল্যাটফর্মে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক তখনই তাঁকে ঘিরে ধরে আরপিএফ। তরুণীকে বলা হয়, ট্রলিব্যাগে তল্লাশি চালানো হবে। প্রথমে আপত্তি জানান তরুণী। কিন্তু শেষে ট্রলিব্যাগ দু’টি পুলিশের হাতে তুলে দেন তিনি।

রেলপুলিশ সূত্রে খবর, ব্যাগ খুলতেই দামি ব্র্যান্ডের মদের বোতল থরে থরে সাজানো অবস্থায় পাওয়া যায়। মোট ৭৫ লিটার মদ উদ্ধার হয়।

Bihar

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy