উত্তরপ্রদেশের নয়ডার অভিজাত আবাসনে এক নববিবাহিত তরুণীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। সেক্টর ১০৮-এর একটি অভিজাত আবাসনের ১৬ তলা ঝাঁপ দিয়ে ওই তরুণী আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছে পুলিশ। মৃতার নাম কামিনী কুমারী। গত ১১ জুলাই তাঁর বিয়ে হয়েছিল।
সেক্টর ৩৯-এর ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক ডিপি শুক্ল জানিয়েছেন, রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় আবাসনের ১৬ তলা থেকে ঝাঁপ দেন কামিনী। ভারী কিছু পড়ার আওয়াজ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। তখন তাঁরা দেখেন কামিনী পড়ে রয়েছেন। চারপাশ রক্তে ভেসে যাচ্ছে। আবাসনের বাসিন্দারাই কামিনীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ আধিকারিক শুক্ল জানিয়েছেন, একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, তরুণীর ফ্ল্যাট থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। উত্তরপ্রদেশের এটার বাসিন্দা কামিনী। স্বামী মন্থন ধীমানের সঙ্গে সেক্টর ১০৮-এর একটি আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। মন্থন উত্তরাখণ্ডের দেহরাদূনের বাসিন্দা। কর্মসূত্রে তিনি নয়ডায় থাকেন। তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় ভিডিয়ো এডিটরের পদে কর্মরত। পুলিশের কাছে মন্থন দাবি করেছেন, কামিনী গত কয়েক দিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। কামিনী একটি কলসেন্টারে কর্মরত ছিলেন। সেই চাকরি ছেড়েও দিয়েছিলেন তিনি। কন্যার মৃত্যুর খবর পেয়ে এটা থেকে নয়ডায় পৌঁছোয় কামিনীর পরিবার। তাদের অভিযোগ, পণের জন্য খুন করা হয়েছে কামিনীকে। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।