Advertisement
E-Paper

স্ত্রীর গলা কেটে মুন্ডু রেখে দেন ফ্রিজ়ে! খুনের হুমকি প্রেমিককে, অসমে ‘পুলিশের গাড়ি থেকে ঝাঁপ’ দিয়ে মৃত্যু সেই অভিযুক্তের

স্ত্রীর অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন অভিযুক্ত। পুলিশের দাবি, সেই সন্দেহের বশেই তিনি স্ত্রীকে খুন করেন। তার পরে স্ত্রীর কাটা মুণ্ডু এবং আঙুলের টুকরো জমিয়ে রাখেন ফ্রিজ়ে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:২৬
(বাঁ দিকে) রামানুজ গোস্বামী এবং তাঁর স্ত্রী রিয়া তালুকদার (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) রামানুজ গোস্বামী এবং তাঁর স্ত্রী রিয়া তালুকদার (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

স্ত্রীর গলা কেটে খুনের পর কাটা মুন্ডু রেখে দিয়েছিলেন ফ্রিজ়ে। পুলিশের দাবি, পুলিশের গাড়ি থেকে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু হল সেই অভিযুক্তের। সোমবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে অসমের গুয়াহাটিতে।

পুলিশ সূত্রে খবর, গুয়াহাটির বাসিন্দা রামানুজ গোস্বামী তাঁর স্ত্রীকে সন্দেহ করতেন। স্ত্রী রিয়া তালুকদার (২৫) প্রতারণা করছেন বলে সন্দেহ ছিল তাঁর। অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক রয়েছে বলেও সন্দেহ করতেন তিনি। সেই সন্দেহের বশেই গত ৩ সেপ্টেম্বর বাড়িতে রামানুজ তাঁর স্ত্রীকে খুন করেন বলে অভিযোগ। ৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবেশীরা দুর্গন্ধের কথা জানান। পাশাপাশি পরিবারও দু’জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে পুলিশকে খবর দিয়েছিল। পুলিশ ওই বাড়িতে হানা দিয়ে ফ্রিজ়ের ভিতর থেকে রিয়ার কাটা মুন্ডু এবং কিছু আঙুলের টুকরো উদ্ধার করে। গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন রামানুজ। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে সাত দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে পেয়েছিল পুলিশ।

পুলিশের দাবি, সোমবার ভোরে রামানুজকে মেডিক্যালের (অভিযুক্তের স্বাস্থ্যপরীক্ষা) জন্য গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার সময়ে নরকাসুর পাহাড় এলাকায় পুলিশের উপর হামলা করেন অভিযুক্ত। তার পরে পালানোর চেষ্টায় চলন্ত গাড়ি থেকে ঝাঁপ দেন। কিন্তু পাহাড়ের খাদে পড়ে যান তিনি। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রামানুজকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

স্থানীয় পুলিশ সূত্রকে উদ্ধৃত করে ‘এনডিটিভি’ জানাচ্ছে, গ্রেফতারির পরে গত ৯ সেপ্টেম্বর রামানুজকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল পুলিশ। ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য তখন তাঁর মধ্যে কোনও অনুতাপ দেখা যায়নি। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে স্ত্রীর কথিত প্রেমিক, যাঁকে ‘সুগার ড্যাডি’ বলে উল্লেখ করেছিলেন, তাঁকেও খুনের হুমকি দেন। আধিকারিক সূত্রের খবর, জেরায় রামানুজ স্বীকার করেছিলেন যে, তিনি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় স্ত্রীকে খুন করেছিলেন। তাঁর গুয়াহাটির বাড়ি থেকে মদের খালি বোতল উদ্ধার হয়েছে। রক্তমাখা ধারালো অস্ত্রও পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের অনুমান, খুনের জন্য সেটিই ব্যবহার করা হয়েছিল।

Assam guwahati

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy