E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

খারিজ সরকার-বিরোধী পোস্ট নিয়ন্ত্রণের আর্জি

সমাজকর্মী হিতেন্দ্র কুমার পুরুষোত্তমভাই গাধিয়া এই জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ওয়টস্যাপ ও ইউটিউবে ‘দেশবিরোধী স্লোগান ও ভাষণ’ ছড়ানো হচ্ছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:০৬

—প্রতীকী চিত্র।

সরকার ও বিচার বিভাগের সমালোচনা বা উস্কানিমূলক সমাজমাধ্যম পোস্ট সরানোর আবেদন করে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলা আজ খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ। আবেদনকারীর আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই ধরনের সমাজমাধ্যম পোস্ট যাঁরা করছেন, তাঁদের এতটা গুরুত্ব দেবেন না।”

সমাজকর্মী হিতেন্দ্র কুমার পুরুষোত্তমভাই গাধিয়া এই জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ওয়টস্যাপ ও ইউটিউবে ‘দেশবিরোধী স্লোগান ও ভাষণ’ ছড়ানো হচ্ছে। তথ্য-প্রযুক্তি আইন, ২০০০প্রয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে মামলায় কেন্দ্রীয় তথ্য-প্রযুক্তি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, দিল্লি সরকার এবং গুগল, মেটা, এক্স কর্পোরেশন এবং ওয়টস্যাপকে বিবাদী করা হয়। পিটিশনে বলা হয়েছিল, মিম ও বিকৃত বিষয়বস্তুর মাধ্যমে সনাতন ধর্ম, হিন্দু ধর্মীয়বিশ্বাস ও দেবদেবীর অবমাননা করা হচ্ছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের সময়ে ভুয়ো বার্তার জেরে দিল্লি-সহ একাধিক রাজ্যের রাজধানী অবরুদ্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলেও পিটিশনে দাবি করা হয়। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদের সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি নিজস্বী ভিডিয়ো মেটা থেকে সরানো এবং পরে ‘ত্রুটি’ মেনে ক্ষমা চাওয়ার উদাহরণ দেওয়া হয়। ‘ইন্ডিয়াস গট লেটেন্ট’ বিতর্কের সময়ে ইউটিউবার রণবীর এলাহাবাদিয়ার মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রকে অনলাইন পোস্ট নিয়ন্ত্রণের নিয়ম তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে আবেদনকারী আর্জি জানিয়েছিলেন, সরকার সেই স্থায়ী নিয়ম না বানানো পর্যন্ত সমাজমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উপরে আক্রমণ রুখতে আদালত যেন একটি সাময়িক নির্দেশিকা জারি করে। পিটিশনে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯(১)(এ) ও ১৯(২)-এর অধীনে উস্কানিমূলক বক্তব্য কোনও আইনি সুরক্ষা পেতে পারে না।

তবে সরাসরি হস্তক্ষেপ না করে আদালত আবেদনকারীকে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিয়ে মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
court case

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy