রাজ্যসভায় এনডিএ-র নতুন সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে তাঁদের যত বেশি সম্ভব অধিবেশনে হাজির থাকার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সূত্রের খবর, তিনি নতুনদের বলেছেন, যাঁদের আগে সংসদে আসার অভিজ্ঞতা নেই, তাঁরা যেন সবচেয়ে বেশি সময় কাটান অধিবেশনে। মোদীর মতে, বলার সুযোগ না পেলেও অন্যরা কী বলছেন তা ভাল করে শোনাটাও জরুরি। তাতে সংসদীয় আইন সম্পর্কে সম্যক ধারণা তৈরি হয়, যা বই পড়ে হয় না। মোদীর উপদেশ, ‘ছাত্রের মতো প্রথম কয়েকটি অধিবেশন সংসদে শুনুন, যেটা বুঝতে পারবেন না দলের অভিজ্ঞদের কাছে জেনে নিন।’ বিরোধীদের কথা শুনতেও পরামর্শ দিয়েছেন মোদী।
রাজনৈতিক শিবিরের মতে, বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর সংসদে অনুপস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিক অভিযোগ তুলে আসছে গত কয়েক বছর। তখন খোদ মোদীরই এই পরামর্শ তাৎপর্যপূর্ণ। সেই সঙ্গে তিনি সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলিকে ‘মিনি পার্লামেন্ট’ আখ্যা দিয়ে, সরকারের কোনও ভুলত্রুটি চোখে পড়লে তা সঙ্গে সঙ্গে সরকারি অফিসারদের জানানোর উপদেশও দিয়েছেন।
সম্প্রতি সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় শক্তিবৃদ্ধি হয়েছে এনডিএ-র। অরবিন্দ কেজরীওয়ালের আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন রাঘব চড্ডা, হরভজন সিংহ-সহ রাজ্যসভার সাত সাংসদ। তৃণমূলের তিন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইকও রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বৈঠকে সুখেন্দুশেখরের প্রশংসা করে মোদী বলেছেন, তিনি অনেক দিন ধরেই তাঁর রাজ্যসভার বক্তৃতার দিকে নজর রাখছেন। কখনও ব্যক্তি আক্রমণে না গিয়ে তিনি যে ভাবে তথ্য দিয়ে নিজের বক্তৃতাকে সাজান, তার উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।