Advertisement
E-Paper

‘পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারে অনেক কাজ করছে সরকার’! স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতির ভাষণে ছাত্র-যুব সমাজ

প্রশ্নফাঁস রুখতে বাদল অধিবেশনে সংশোধনী বিল পেশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এমনকি, পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের কথাও জানিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘সরকার পরীক্ষা পদ্ধতির সংস্কারে পদক্ষেপ করছে।’’

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ অগস্ট ২০২৬ ২২:১০
President Droupadi Murmu\\\\\\\'s first reaction after massive student protests

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ছবি: পিটিআই।

নিট আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। ওই আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিল পড়ুয়া এবং যুবসমাজ। ঝাড়খণ্ডেও পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে আন্দোলন চলছে। সর্বভারতীয় পরীক্ষা সংস্কারের দাবি উঠেছে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণে উঠে এসেছে দেশের যুবসমাজের কথা। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরীক্ষা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার উপর জোর দেন রাষ্ট্রপতি।

দেশের ভবিষ্যতে পড়ুয়াদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘আমাদের ছাত্রছাত্রীরাই ভারতের ভবিষ্যৎ তৈরির কারিগর। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যেমন সরকার এবং সমাজের ঐক্যবদ্ধ থাকা অপরিহার্য, তেমনই আমাদের শিক্ষার্থীদের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে সকলকে এক হতে হবে।’’

প্রশ্নফাঁস রুখতে বাদল অধিবেশনে সংশোধনী বিল পেশ করেছে সরকার। এমনকি, পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের কথাও জানিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘সরকার পরীক্ষা পদ্ধতির সংস্কারে পদক্ষেপ করছে। শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ নিরসনেও কাজ করছে সরকার।’’ রাষ্ট্রপতির কথায়, ‘‘এই সংস্কারের উদ্দেশ্য, সর্বভারতীয় নিয়োগ বা প্রবেশিকা পরীক্ষায় যাতে কেউ অসদুপায় নিতে না-পারে, তা সম্পূর্ণরূপে দমন করা। পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তোলাও সংস্কারের উদ্দেশ্য।’’

প্রশ্নফাঁসরোধী সংশোধনী বিল (পাবলিক এগ্‌জ়ামিনেশন—প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস—অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬) ধ্বনিভোটে পাস হয়ে গিয়েছে লোকসভায়। সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় পাস হলে এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মিললে বিলটি আইনে পরিণত হবে। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের মধ্যেই কঠোর আইন প্রণয়নের বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেইমতো ২০২৪ সালের এই সংক্রান্ত আইনে কিছু সংশোধনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সংশোধনী বিলটিতে প্রশ্নফাঁস এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনও অনিয়মে কঠোর শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির হাতে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের কার্যক্রমেও জোর দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে নতুন বিলে।

Droupadi Murmu

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy