স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় যাওয়ার আগে তাঁর রোজনামচার ঝলক সমাজমাধ্যমে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানালেন, লালকেল্লার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে গরু ও ময়ূরেরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল।
ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে মোদী জানান, প্রতি দিন সকালে পশুপাখিদের খাওয়ানো তাঁর দৈনন্দিন রুটিনের অংশ। তিনি লিখেছেন, ‘‘প্রতি দিন সকালে আমার বন্ধুদের খাওয়ানো আমার দৈনন্দিন অভ্যাস। গত কাল সকালে ওরা কোনও ভাবে বুঝতে পেরেছিল যে, আমি তাড়াতাড়ি বেরোব। তাই লালকেল্লার উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় ওরা আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। বরাবরের মতোই বিশেষ মুহূর্ত!’’ ভিডিয়োটিতে নিজের বাসভবনে গরু ও ময়ূরের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। তাঁদের খাওয়াতেও দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে।
প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি এবং বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠনের আন্দোলনের জেরে সরকারের চাপে পড়া এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর থেকে নতুন প্রজন্মকে কাছে টানতে লাগাতার চেষ্টা চালাচ্ছেন মোদী। গত কয়েক সপ্তাহে পরপর ইনস্টাগ্রামে লাগাতার নানা বক্তব্য প্রকাশ করে জেন-জ়ির কাছে পৌঁছতে চাইছেন তিনি। মোদীর সাম্প্রতিক পোস্টগুলিতে সেলফি-ধাঁচের ভিডিয়ো, হাস্যরস-সহ নানা প্রসঙ্গ ব্যবহার করে তরুণদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ ভাবে যোগাযোগের চেষ্টা লক্ষ্য করা গিয়েছে।
তাঁর সাম্প্রতিক ইনস্টাগ্রাম পোস্টটিকে বৃহত্তর ডিজিটাল যোগাযোগ কৌশলের অংশ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে সরকারের অন্য সদস্যদেরও ইনস্টাগ্রামে সক্রিয় হওয়ার উপর জোর দিয়েছেন মোদী।
শনিবার লালকেল্লা থেকে টানা ১৩তম বার স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়া হবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মোদী। এবং জেন জ়ি-ই যে তার অন্যতম প্রধান কারিগর, তা-ও জানান প্রধানমন্ত্রী। নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তিনির্ভর মানসিকতা, স্টার্ট-আপ ক্ষেত্রে অবদান এবং ‘অরেঞ্জ ইকনমি’-তে ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।