Advertisement
E-Paper

সাত সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন চণ্ডীগড়ের সমাজমাধ্যম প্রভাবী! মনজীত কৌর হত্যায় নয়া তথ্য, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়েও

গত ৩ জুলাই মনজীতকে গাড়িতে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পর তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। মোরিন্ডা নামে একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে মনজিৎকে গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ অগস্ট ২০২৬ ০৯:৩৯
মনজীত কৌর। ছবি: সংগৃহীত।

মনজীত কৌর। ছবি: সংগৃহীত।

পঞ্জাবের সমাজমাধ্যম প্রভাবী মনজীত কৌর হত্যাকাণ্ডে নয়া তথ্য উঠে এল। তদন্তকারী সূত্রে খবর, সাত সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন মনজীত। চণ্ডীগড়ের এই সমাজমাধ্যম প্রভাবীর মৃত্যুতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার পর এক মাসেরও বেশি সময় অচৈতন্য অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মনজীত। গত ৫ অগস্ট তাঁর জ্ঞান ফেরে। সেই সময়ে পরিবারের লোকজনকে জানিয়েছিলেন, তিনি পুলিশকে বয়ান দিতে চান। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, থানা তাঁর বয়ান নেয়নি।

চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমআরে ভর্তি ছিলেন মনজীত। হাসপাতালের নিরাপত্তায় থাকা পুলিশচৌকি থেকে মনজীতের জ্ঞান ফেরার খবর দেওয়া হয়েছিল থানায়। তাদের জানানো হয়েছিল যে, তরুণী বয়ান দেওয়ার জন্য রাজি। কিন্তু তার পরেও কেন বয়ান নেওয়া হয়নি, তা ঘিরে প্রশ্নের মুখে পঞ্জাব পুলিশ। যদিও পঞ্জাব পুলিশের তরফে এই অভিযোগ খণ্ডন করে পাল্টা দাবি করা হয়েছে যে, মনজীতের পরিবারের সঙ্গে সবরকম ভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে।

গত ২৬ অগস্ট মৃত্যু হয়েছে মনজীতের। তাঁর মৃত্যুর পর চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৪ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর মা কান্তা দেবী। তার পরই পুলিশ অপহরণ, খুনের একটি মামলা দায়ের করে। চণ্ডীগড়ের ডেপুটি পুলিশ সুপার গুরজিত কৌর জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ, ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কিন্তু মনজীতকে কেন খুন করা হল, সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। শুধু তা-ই নয়, যে দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, শুধু কি তাঁরাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, না কি আরও কেউ এই ঘটনায় যুক্ত রয়েছেন, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই তাঁর দুই পরিচিত ব্যক্তি মনজীতকে দেখা করতে বলেন। অভিযোগ, মনজীত সেখানে হাজির হলে তাঁকে গাড়িতে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পর তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। মোরিন্ডা নামে একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে মনজিৎকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়েরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ৯ জুলাই চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমআরে স্থানান্তর করা হয়। তার পর থেকে অচৈতন্য ছিলেন মনজীত। গত ৫ অগস্ট জ্ঞান ফেরে। ২৬ অগস্ট মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশ সূত্রে খবর, মনজীত বিবাহবিচ্ছিন্না। তাঁর সাত বছরের এক সন্তান রয়েছে। পুলিশের সন্দেহ, যে দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের মধ্যে এক জনের সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্ক ছিল মনজীতের। ইনস্টাগ্রামে দেড় লক্ষ অনুগামী রয়েছে তাঁর। পঞ্জাবি এবং হরিয়ানভী গানে ভিডিয়ো রিল করতেন তিনি।

Chandigarh

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy