E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

নাম বাদের গুচ্ছ আর্জি কি সফ্‌টওয়্যারে, প্রশ্ন

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারকে অন্ধকারে রেখে এসআইআর সংক্রান্ত একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে অভিযোগ নিয়ে বিরোধীরা শীর্ষ কোর্টে মামলা করেছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:১৪
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে ১৬ লক্ষ নাম বাদের জন্য এসআইআর ট্রাইবুনালে যে সব আবেদন জমা পড়েছে, তা কি সত্যিই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের অফিসারেরা করেছেন? না কি দিল্লির নির্বাচন কমিশন থেকে সফ্‌টওয়্যারের মাধ্যমে একসঙ্গে গুচ্ছ গুচ্ছ আপিল অনলাইনে করা হয়েছে? সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশনের হলফনামা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ, আইসা নেত্রী নেহা বোরা, তথ্যের অধিকার কর্মী অঞ্জলি ভরদ্বাজ, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদবেরা এই প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, কমিশন বলছে, এই সব আপিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসারেরা করেছেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, একই সময়ে হাজার হাজার আপিল জমা পড়েছে। এক জন কী ভাবে একসঙ্গে এত আপিল জমা দিতে পারেন?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারকে অন্ধকারে রেখে এসআইআর সংক্রান্ত একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে অভিযোগ নিয়ে বিরোধীরা শীর্ষ কোর্টে মামলা করেছেন। দুই নির্বাচন কমিশনার পশ্চিমবঙ্গে ট্রাইবুনালে এই সব আপিল কারা করেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কমিশন হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, প্রথমে বিহার, তার পরে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যে এসআইআরের নির্দেশিকা ঐকমত্যের ভিত্তিতে জারি হয়েছিল। অঞ্জলি ভরদ্বাজের দাবি, তিনি তথ্যের অধিকার আইনে কমিশনের এসআইআরের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত ফাইল চেয়েছিলেন। কমিশন বলেছিল, কোনও ফাইল নেই। তা হলে এখন কিসের ভিত্তিতে কমিশন বলছে, ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে? সেই ফাইল কোথায়? ইমেল বা ওয়টস্যাপে এ নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকলে তার নথি কমিশন আদালতে পেশ করছে না কেন?

নেহা বলেন, কমিশনের হলফনামা দেখিয়ে বলা হচ্ছে, ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হলে কেন জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন হবে? বাস্তব হল, কমিশনের হলফনামায় আন্দোলন নাকচ হয় না। জ্ঞানেশ তাঁর পদের অপব্যবহার করেছেন। নেহার কথায়, “এক দিকে মানুষের ভোটের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অন্য দিকে গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকারও কাড়া হচ্ছে। ফলে গণতন্ত্রে সক্রিয় অংশগ্রহণের দু’টি রাস্তাই বন্ধ করা হচ্ছে।” আন্দোলন করে শান্তি ভঙ্গ করবেন না বলে বন্ডে নেহা চতুর্থ বার সই করতে অস্বীকার করেছেন। তাঁকে বিশেষ কার্যকরী ম্যাজিস্ট্রেট ফের ২০ নভেম্বর সমন করেছেন।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
SIR

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy