জেন জ়ি-র আন্দোলন নড়িয়ে দিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে। আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এই আবহে আগামী ৬ অগস্ট মুম্বইয়ে জেন জ়ি ও জেন আলফা স্কুল পড়ুয়াদের মুখোমুখি হচ্ছেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত।
আরএসএস প্রধান ভাগবত যখন ছোটদের মন বোঝার চেষ্টা করছেন তখন আরএসএসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অতুল লিমায়ে যন্তর মন্তরে হওয়া ছাত্র বিক্ষোভকেঅসাংবিধানিক ও দেশ-বিরোধী বলে ব্যাখ্যা করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। তাঁর কথায়, “ওই বিক্ষোভকে কেবল রাজনৈতিক আন্দোলন বা বিজেপি-বিরোধী আন্দোলন হিসেবে দেখা উচিত নয়। পরিবর্তে ওই আন্দোলনকে সংবিধান ও দেশের বিরুদ্ধে হওয়া প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে দেখা উচিত।’’ গত কাল মহারাষ্ট্রের শম্ভাজিনগরে আরএসএসের একটি অনুষ্ঠানেতিনি বলেন, ‘‘ককরোচ জনতা পার্টির ওই আন্দোলনকে দেশের বিরুদ্ধে হওয়া আন্দোলন হিসেবে দেখা উচিত। সেই পরিপ্রেক্ষিত থেকে আমাদের ওই শক্তির ক্ষমতা যাচাই করা উচিত।’’
লিমায়ে ওই আন্দোলনকে নিয়ে বিশদে আলোচনার দাবি তুলেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘ওই আন্দোলনকে কেস স্টাডি হিসেবে দেখা উচিত। এটা বোঝা যাচ্ছে এ ধরনের ঘটনা বছরের পর বছর ঘটছে। যদি সামগ্রিক পর্যালোচনা করা হয় তাহলে সময়সীমা, পদ্ধতি, আন্দোলনের পিছনে মদতদাতা কারা রয়েছেন এবং আন্দোলনের আদর্শ কী সে সম্পর্কে ধারণা করা সম্ভব হবে।’’ তাঁর মতে, ‘‘কারা যন্তর মন্তরে হওয়া আন্দোলনের পিছনে সক্রিয় ছিলেন তা বিশ্লেষণ করলেই আন্দোলনের প্রকৃত উদ্দেশ্য বোঝা সম্ভব হবে।’’ কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরার বক্তব্য, ‘‘এখানকার ছাত্রেরা কি নাগপুরে বিক্ষোভ দেখাবে? সঙ্ঘের লোকেরা কয়েক দিন চুুপ করে থাকুন। ’’
লিমায়ে যখন আন্দোলনের প্রকৃতি মূল্যায়নে জোর দিয়েছেন, তখন ৬ অগস্ট দেশের প্রায় একশো শহরের দু’হাজার পড়ুয়ার মনের কথা বুঝতে একটি আলোচনায় যোগ দিতে চলেছেন মোহন ভাগবত।