E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

এনআরসি ‘প্রয়োজন’, ফের সওয়াল সঙ্ঘের

দেশের সীমান্তবর্তী বিশেষ করে পূর্ব ভারতের একাধিক রাজ্যের জেলাগুলিতে জনবিন্যাসের ভারসাম্য পাল্টে গিয়েছে বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৩২

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এ দেশে এনআরসি করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করলেন আরএসএসের প্রচার প্রমুখ সুনীল অম্বেকর। গত কাল দিল্লিতে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা ও পরিবর্তিত জনগণনার পরিসংখ্যান’ সংক্রান্ত বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে ওই মন্তব্য করেছেন সুনীল।

নীতিগত ভাবে আরএসএস এনআরসি করার পক্ষপাতী। দল অতীতেও একাধিক বার প্রকাশ্যে মুখ খুলেছে। গত কাল জনগণনা সংক্রান্ত ওই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে সুনীল বলেন, “জনবিন্যাসের ভারসাম্য আনতে তথা দেশের ঐক্য, সংহতি ও সুরক্ষার দিকটি মাথায় রেখে এ দেশে এনআরসি হওয়া উচিত।” কেন এনআরসি হওয়া উচিত সে প্রসঙ্গে তাঁর ব্যাখ্যা, “ভোটার তালিকায় ভুল করে উঠে যাওয়া নাম বাদ দিতে এবং যাঁরা ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার লক্ষ্যেই এনআরসি হওয়া প্রয়োজন।”

দেশের সীমান্তবর্তী বিশেষ করে পূর্ব ভারতের একাধিক রাজ্যের জেলাগুলিতে জনবিন্যাসের ভারসাম্য পাল্টে গিয়েছে বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সম্প্রতি জনবিন্যাসের পরিবর্তন খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গড়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আরএসএস নেতৃত্ব মনে করেন, সীমান্ত জেলাগুলিতে জনবিন্যাস এ ভাবে ‘পাল্টে যাওয়া’ দেশের নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগের বিষয়। সুনীলের কথায়, “জনবিন্যাসের এই পরিবর্তনের সমাধানের অন্যতম রাস্তা হল এনআরসি।” তাঁর মতে, বিশেষ করে স্বাধীনতার পরে যাঁরা প্রতিবেশী দেশগুলি (পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ) থেকে ধর্মীয় কারণে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন তাঁদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার জন্য এনআরসি-র প্রয়োজন রয়েছে। তেমনই যাঁদের নাম (মূলত মুসলিম অনুপ্রবেশকারী) ভোটার তালিকায় ভুল ভাবে উঠেছে, তাঁদের চিহ্নিত করার জন্যও এনআরসি-র প্রয়োজন রয়েছে। তবে ওই প্রক্রিয়া করতে গেলে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক হবে তা মেনে নিয়েছেন সুনীল। তাঁর কথায়, “যা বিতর্ক বা আপত্তি আছে তা মেটানোর জন্য আইনি পথের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু তা বলে শুধু রাজনৈতিক কারণে এক জন ভিন্‌ দেশের ব্যক্তিকে এ দেশের নাগরিক হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না।” পাশাপাশি, দেশে সব ধর্মের মানুষের জন্য একই আইন তথা অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রয়োজন রয়েছে বলেই মন্তব্য করেন তিনি।


এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
RSS SIR

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy