শুক্রবার বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। তার পরের দিনই মহিলা সংরক্ষণ এবং আসন পুনর্বিন্যাস বিলে কেন্দ্রকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করে দিলেন শিরোমণি অকালি দলের প্রধান সুখবীর সিংহ বাদল। দ্রুত মহিলা সংরক্ষণ এবং আসন পুনর্বিন্যাসের কাজ সেরে ফেলার দাবি তুলেছেন তিনি।
২০২০ সালের কৃষক বিক্ষোভের মাঝে ‘বিতর্কিত’ তিন কৃষি বিল সংসদে পাশ হওয়ার প্রতিবাদে এনডিএ ছেড়েছিল অকালি দল। তার প্রায় ছ’বছর পরে ফের বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসক জোটের কাছাকাছি এল বাদলের দল। ঘটনাচক্রে, আগামী বছরেই পঞ্জাবে বিধানসভা ভোট রয়েছে। অকালি দল এনডিএ ছাড়ার পর ২০২২ সালের বিধানসভা ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসে আম আদমি পার্টি। এ অবস্থায় পঞ্জাবের ভোটের আগে মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং আসন পুনর্বিন্যাস বিলে কেন্দ্রকে সমর্থনের বার্তা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সংসদে অকালি দলের একজনই সাংসদ রয়েছেন— লোকসভায়। রাজ্যসভায় তাদের কোনও সাংসদ নেই। তা হলে কি এক সাংসদ নিয়ে অকালি দলের এনডিএ-কে সমর্থনের সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কি আগামী বছরের নির্বাচনী পরিকল্পনাও রয়েছে? তা নিয়েও গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরে শনিবার চণ্ডীগড়ে শিরোমণি অকালি দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বাদল। দলীয় ওই বৈঠক শেষে মহিলা সংরক্ষণ এবং আসন পুনর্বিন্যাস বিলে কেন্দ্রকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন তিনি। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “শিরোমণি অকালি দল দেশে অবিলম্বে ‘মহিলা সংরক্ষণ বিল’ কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছে।”
প্রথম বার বিল পাস করানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কেন্দ্র এ বার বিভিন্ন আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করছে। সে ক্ষেত্রে এনডিএ বহির্ভূত বিভিন্ন দলের সঙ্গেও কথাবার্তা চালাচ্ছে মোদীর সরকার। সূত্রের খবর, কেন্দ্র আশ্বাস দিয়েছে, সব রাজ্যে আসনসংখ্যা ৫০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করা হবে। সে প্রসঙ্গ টেনে বাদল জানিয়েছেন, সব রাজ্যে আসনসংখ্যা ৫০ শতাংশ হারে বৃদ্ধির প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে শিরোমণি অকালি দল।