Advertisement
E-Paper

স্বাধীনতার লড়াই! অনশনের ২২তম দিনে নিজের হাতে চিঠি লিখলেন ওয়াংচুক, আট লাইনের বার্তা

সোনমের অভিযোগ, বেআইনি ভাবে তাঁকে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে। নিজের লেখা চিঠিটি রবিবার স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমোর হাত দিয়ে পাঠিয়েছেন সোনম।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৬ ১০:৩৬

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

অনশনের ২২তম দিনে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে শুয়ে নিজের হাতে চিঠি লিখলেন সোনম ওয়াংচুক। সোমবার, ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তরফে সংসদ ভবন অভিযানের যে ডাক দেওয়া হয়েছে, তা সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একে ভারতের ‘স্বাধীনতার দ্বিতীয় আন্দোলন’ বলে উল্লেখ করেছেন। শনিবার যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে গিয়ে সোনমকে তুলে নিয়ে যায় সাদা পোশাকের পুলিশ। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরেও তাঁর অনশন ভাঙানো যায়নি।

সোনমের অভিযোগ, বেআইনি ভাবে তাঁকে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে। নিজের লেখা চিঠিটি রবিবার স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমোর হাত দিয়ে পাঠিয়েছেন সোনম। তাতে লিখেছেন আটটি লাইন— ‘‘২০ জুলাই, দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন। ভয়মুক্ত ভারত, অন্যায়মুক্ত ভারত।’’ এই অংশ হিন্দিতে লেখার পর তার ইংরেজি তর্জমা করে সোনম আবার লিখেছেন, ‘‘অবিচার থেকে মুক্তি (উদাহরণ— প্রশ্নপত্র ফাঁস)। ভয় থেকে মুক্তি (আমাকে বেআইনি ভাবে আটক করে রাখা)’’।

সিজেপির আন্দোলনকে সফল করে তোলার আহ্বান জানিয়ে সোনম লিখেছেন, ‘‘এটা ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন। পার্লামেন্টে চলুন। এই কর্মসূচিকে সফল করে তুলুন। সফদরজং হাসপাতালে যেখানে বেআইনি ভাবে আমাকে আটক করে রাখা হয়েছে, সেখান থেকে গীতাঞ্জলির মাধ্যমে এই চিঠি পাঠালাম।’’ সোনমের সমাজমাধ্যমেও এই চিঠি প্রকাশ করা হয়েছে।

শিক্ষা দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গত ২৮ জুন থেকে অনশন করছেন সোনম। রবিবার তাঁর অনশনের ২২তম দিন। গীতাঞ্জলি জানিয়েছেন, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরেও সোনমের অনশন ভাঙানো যায়নি। তিনি মিষ্টি কিছু খাননি। কেবল নুনজল খাচ্ছেন। দীর্ঘ অনশনের কারণে স্বাভাবিক নিয়মেই সোনমের শরীর দুর্বল হয়েছে। তবে তাঁর মনের জোর এখনও আগের মতোই আছে, শনিবার হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে জানান তাঁর স্ত্রী।

দিল্লি হাই কোর্ট জানিয়েছিল, সোনমের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে হবে সরকারকে। তার পরের দিনই বিক্ষোভস্থল থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে কাজ করা হয়নি। বরং জোর করে হাসপাতালে আটকে রাখা হচ্ছে সোনমকে। কোনও চিকিৎসাও হচ্ছে না। অন্য দিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, সোনম চিকিৎসায় সহযোগিতা করছেন না। তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে চান, জানিয়েছেন গীতাঞ্জলি।

সোনমকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর যন্তর মন্তরের সামনে নতুন করে অনশন শুরু করেছেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে। সোমবার তাঁরা সংসদ ভবন অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে দিল্লি পুলিশ এখনও এই ধরনের কোনও কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি।

Sonam Wangchuk Hunger strike Delhi Police Safdarjung

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy