Advertisement
E-Paper

আইআইটি বম্বেতে ছাত্রমৃত্যু: বিক্ষোভ আরও জোরালো, ডিরেক্টরের পদত্যাগ চেয়ে অনশন শুরু পড়ুয়াদের

পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন সাহিল। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই হস্টেলের ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। ডিরেক্টরের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে আইআইটি বম্বেতে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৫৪
আইআইটি বম্বে ক্যাম্পাসে আত্মঘাতী দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সাহিল ওয়াকোডে।

আইআইটি বম্বে ক্যাম্পাসে আত্মঘাতী দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সাহিল ওয়াকোডে। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

আইআইটি বম্বের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সাহিল ওয়াকোডের আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ আরও জোরালো হচ্ছে। শুক্রবার আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের একাংশ অনশন শুরু করেছেন। মৃত ছাত্রের বাবা-মা আগেই অনশনে বসেছিলেন। এ বার পড়ুয়ারাও তাঁদের সঙ্গে যোগ দিলেন। তাঁদের অন্যতম প্রধান দাবি, ছাত্রের মৃত্যুর দায় স্বীকার করে, জবাবদিহি করতে হবে কর্তৃপক্ষকে। আইআইটি বম্বের ডিরেক্টর শিরীষ কেদারের পদত্যাগও দাবি করেছেন তাঁরা।

পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল সাহিলের বিরুদ্ধে। আইআইটি বম্বের প্রথম বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছিল, তিনি প্রশ্নপত্রের ছবি চ্যাটজিপিটি-তে আপলোড করেছিলেন। পরীক্ষক তা ধরে ফেলেন এবং তাঁকে পরীক্ষার হল থেকে বার করে দেওয়া হয়।পরে ওই বিবৃতি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরেই হস্টেলের ঘর থেকে সাহিলের দেহ উদ্ধার হয়। আইআইটি বম্বের পড়ুয়াদের দাবি, গত কয়েক মাসে তাঁদের প্রতিষ্ঠানে একাধিক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। অবিলম্বে তার দায় নিয়ে জবাবদিহি করতে হবে কর্তৃপক্ষকে। এ ছাড়া, অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লা, যিনি সে দিন পরীক্ষার হলে দায়িত্বে ছিলেন, তাঁর শাস্তিও চেয়েছেন বিক্ষুব্ধ পড়ুয়ারা। অভিযোগ, জাত তুলে সাহিলকে অপমান করতেন তিনি।

সূর্যনারায়ণের বিরুদ্ধে জাতিবৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন সাহিলের মা-বাবাও। অভিযোগ, গত তিন মাস ধরে তিনি তাঁদের পুত্রকে হেনস্থা করেছেন নানা ভাবে। পুলিশ তাঁদের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। এর মধ্যে অধ্যাপককে ডিনের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ক্ষোভ তাতে কমেনি।

সাহিলের মা-বাবা মুম্বইয়ের আজ়াদ ময়দানে অনশনে বসেছেন। কিন্তু পুলিশ ওই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি বলে অভিযোগ। গত ১৫ দিন ধরে এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আইআইটি বম্বে ক্যাম্পাস উত্তাল। আন্দোলন আরও জোরদার করার জন্য বিক্ষুব্ধদের একাংশ অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নেন। শুক্রবার তাঁরা প্রথমে মিছিল করে ক্যাম্পাসের মূল ফটক পর্যন্ত পৌঁছোন। ১৮ দফা দাবি তুলে দেন কর্তৃপক্ষের হাতে। তার পর আনুষ্ঠানিক ভাবে অনশন শুরু করা হয়।

ছাত্রছাত্রীদের দাবিগুলির মধ্যে অন্যতম সাহিলের মৃত্যুর নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত। এই ঘটনায় কর্তৃপক্ষের তরফে যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, তাতে পরিবর্তনও চেয়েছেন বিক্ষুব্ধেরা। জানিয়েছেন, যত দিন না তাঁদের দাবি মানা হচ্ছে, আন্দোলন তাঁরা চালিয়ে যাবেন।

IIT Bombay Suicide Case Mumbai

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy