Advertisement
E-Paper

ওষুধের ক্রয়মূল্য ও এমআরপি-তে বিপুল ফারাক! দাম নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে ‘অকেজো’ বলে কটাক্ষ সুপ্রিম কোর্টের

খুচরো বিক্রেতাদের কেনা দাম ও ওষুধের এমআরপি-র মধ্যে বিপুল ফারাক নিয়ে কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা এনপিপিএ-কে ‘পুরোপুরি অকেজো’ বলেও তোপ আদালতের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:৪৫
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি। —ছবি: সংগৃহীত।

খুচরো বিক্রেতারা যে দামে ওষুধ কেনেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে তা যে সর্বোচ্চ খুচরো মূল্যে (এমআরপি) বিক্রি হয়, তার মধ্যে ফারাক বিপুল। এ বার এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। দেশে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের নজরদারি নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, ওষুধের দাম সংক্রান্ত দু’টি আবেদনের শুনানিতে মঙ্গলবার বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন গোটা ব্যবস্থাটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির অনুকূলে কাজ করছে এবং এই প্রবণতা কি এরকম লাগামহীন ভাবেই চলতে দেওয়া উচিত?

কেন্দ্রের উদ্দেশে শীর্ষ আদালতের বেঞ্চের মন্তব্য, “সরকার নিজেই এটা হতে দিচ্ছে। সরকারের চোখের সামনেই এই ঘটনা ঘটছে।” একই সঙ্গে দেশে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা সংস্থা ‘ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি’-কে (এনপিপিএ) আপাতদৃষ্টিতে একটি ‘পুরোপুরি অকেজো’ (টোটালি ডিফাঙ্কট) সংস্থা বলেও অভিহিত করেছে দুই বিচারপতির বেঞ্চ।

শুনানি চলাকালীন কেন্দ্রের তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্যা ভাটী আদালতে জানান, সরকারের নীতি হল “গোটা পরিকাঠামো বা ইকোসিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ না করা”। ভাটীর যুক্তি, বিশ্বে যে দেশগুলিতে ওষুধের দাম সবচেয়ে কম, ভারত তার অন্যতম। মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ওষুধের দাম রাখার পাশাপাশি বাজারে ওষুধের পর্যাপ্ত জোগান এবং ওষুধশিল্পের বৃহত্তর স্বার্থের মধ্যে সরকারকে ভারসাম্য বজায় রেখে চলতে হয়। উভয় পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর এই মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছে শীর্ষ আদালত।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১২ অক্টোবর অপর একটি মামলার শুনানিতে ক্যানসারের ওষুধের লভ্যাংশ বা ‘ট্রেড মার্জিন’ এমআরপি-র ৩০ শতাংশে বেঁধে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তেও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে “খুশি হওয়ার মতো তেমন কিছুই নেই”। পাশাপাশি, অন্যান্য ওষুধের ক্ষেত্রেও কেন লভ্যাংশের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া যাবে না, সেই প্রশ্নও তুলেছিল আদালত। তার আগে হাসপাতালগুলিতে ক্যানসারের ওষুধের চড়া দাম নেওয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল কেন্দ্র। সেই সময় সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, ক্যানসার প্রতিরোধী ওষুধের লভ্যাংশ এমআরপি-র ৩০ শতাংশে বেঁধে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে রোগীদের বছরে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

Supreme Court Medicine Inflation

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy