E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

কোচিং ব্যবসা নিয়ে প্রশ্ন শরিকেরই

আলোচনায় টিডিপি সাংসদ লাভু শ্রীকৃষ্ণ বছরে একাধিক বার (অন্তত দু’বার) নিটের ব্যবস্থা করায় জোর দেন। তাঁর যুক্তি, ‘‘বর্তমান ব্যবস্থায় পরীক্ষার দিনে পরীক্ষার্থীর যদি পরিবারের কেউ মারা যান, তা হলেও তাঁকে পরীক্ষা দিতে আসতে হয়।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৬ ০৭:৪৫

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-এর সাফল্য সম্পূর্ণ কোচিং কেন্দ্র ভিত্তিক। ফলে পরীক্ষার্থীদের যথার্থ মূল্যায়ন হচ্ছে না। তাই আজ লোকসভায় সরকারি পরীক্ষায় কারচুপি প্রতিরোধ আইন সংক্রান্ত আলোচনায় জাতীয় স্তরে কোচিং নিয়ন্ত্রক কাঠামো গঠনে জোর দিল সরকারের দুই শরিক টিডিপি ও শিবসেনা (শিন্দে)। নিটের পরীক্ষা বছরে একাধিক বার করার সওয়াল করেছে তারা। যে ভাবে বিলে একাধিক সংস্কারের ডাক দিয়েছে দুই শরিক দল, তা চিন্তা বাড়িয়েছে সরকারের।

আজ আলোচনায় টিডিপি সাংসদ লাভু শ্রীকৃষ্ণ বছরে একাধিক বার (অন্তত দু’বার) নিটের ব্যবস্থা করায় জোর দেন। তাঁর যুক্তি, ‘‘বর্তমান ব্যবস্থায় পরীক্ষার দিনে পরীক্ষার্থীর যদি পরিবারের কেউ মারা যান, তা হলেও তাঁকে পরীক্ষা দিতে আসতে হয়।’’ পেশায় চিকিৎসক, শিবসেনা (শিন্দে) সাংসদ শ্রীকান্ত শিন্দেও বলেন ‘‘কেন বছরে একটি দিনে পরীক্ষা হবে? অন্যান্য দেশে পরীক্ষা বছরে একাধিক বার দেওয়া যায়। এতে পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমবে।’’

নিট-এ সাফল্য পাওয়ার প্রশ্নে কোচিং নির্ভরতার সমালোচনা করেন দুই শরিক সাংসদই। শ্রীকান্ত বলেন, ‘‘বর্তমানে কোচিং কেন্দ্রগুলি চড়া অর্থের বিনিময়ে পড়ুয়াদের ভর্তি নেয়।’’ যা অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণ করতে একটি কাঠামো গঠনে জোর দেন তিনি। শ্রীকান্তের কথায়, ‘‘বর্তমানে কোচিং কেন্দ্রের বাজার মূল্য ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়ে গিয়েছে, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তা এক লক্ষ কোটিতে গিয়ে দাঁড়াবে।’’ শ্রীকান্তের কথায়, এরা টাকা তুলতে এতটাই ব্যস্ত যে শেয়ার বাজারে আইপিও এনে টাকা তোলার কথা ভাবছে। সে সময়ে স্পিকারের আসনে ছিলেন না কোটা-র সাংসদ ওম বিড়লা। মূলত তাঁর লোকসভা কেন্দ্রেই যে কোচিং-এর রমরমা, তা নিয়ে স্পিকারকে বিঁধতে ‘কোটা’, ‘কোটা’ বলে আক্রমণ শানান বিরোধীরা।

গোড়া থেকেই ডিএমকে নিট-এর বিপক্ষে। আজ আলোচনায় নিট বাতিল করার দাবি তোলা ছাড়াও নিটের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা কোচিং নির্ভর হয়ে পড়ার সমালোচনা করেন ডিএমকে সাংসদ দয়ানিধি মারান। বলেন, ‘‘পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে কোচিং কেন্দ্রে পড়লে তবে নিটে সাফল্য পাওয়া যায়।’’ তাঁর দাবি, অর্থের অভাবে যোগ্য পড়ুয়ারা নিটে সাফল্য পাচ্ছেন না। অথচ কোচিং-এর সাহায্য নিয়ে সফল হচ্ছেন মধ্যমেধার পড়ুয়ারা।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
coaching Lok Sabha

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy