‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ বলে কিছু হয় না। দেশ জুড়ে অসংখ্য লোক এই ফাঁদে পড়ে প্রতারিত হয়ে বহু কোটি টাকা খোয়ানোর পরে বিষয়টি নিয়ে আগেও সতর্ক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ ফের এ নিয়ে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে সতর্ক করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশে ক্রমশ বাড়ছে সাইবার জালিয়াতি। সব বয়সের লোকেরাই ওই আর্থিক দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন। এই আবহে সদ্য সমাপ্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ঠিক পরেই ডিজিটাল অ্যারেস্ট নিয়ে মুখ খুললেন মোদী। তিনি জানান, এ ধরনের কিছু হয় না। পাশাপাশি আর্থিক জালিয়াতি রুখতে ব্যাঙ্কগুলির পরামর্শ মেনে চলার উপরেও জোর দেন তিনি। মোদী বলেন, ‘‘নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য কিংবা ওটিপি নিয়ে কখনও কারও সঙ্গে আলোচনা করা ঠিক নয়। যেমন নিয়মিত ভাবে আমরা জামাকাপড় পাল্টাই, তেমনই নিয়মিত ভাবে পাসওয়ার্ড পাল্টানো দরকার।’’ পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাঙ্কের কেওয়াইসি (নো ইয়োর কাস্টমার) ফর্ম জমা দেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘অনেক সময়ে ব্যাঙ্ক একবার কেওয়াইসি ফর্ম জমা নেওয়ার পরে ফের তা জমা দিতে বলে। এতে রাগ করা উচিত নয়। ওই ব্যবস্থা কেবল আপনার টাকাকে সুরক্ষিত রাখার জন্য।’’
রমজান মাস শুরু হয়ে গিয়েছে। মাস পেরোলেই দোল উৎসব। এই উৎসবের মরসুমে স্বদেশি পণ্য কেনার উপরে জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি হওয়ার ফলে দেশের বাজার বিদেশি পণ্যের জন্যখুলে গিয়েছে।
এই আবহে দাঁড়িয়ে দেশীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থে স্বদেশি পণ্য কেনার উপরে জোর দিয়েছেন মোদী। তিনি বলেন, ‘‘দোল উৎসবের সময় বাজার অনেক রকম বিদেশি পণ্যে ছেয়ে গিয়েছে। এদের থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে। কিনতে হবে স্বদেশী পণ্য। মাথায় রাখতে হবে ‘ভোকাল ফর লোকাল’ মন্ত্র। কারণ যখন একজন ব্যক্তি স্বদেশি পণ্য ক্রয় করেন, তখন তিনি দেশকে স্বনির্ভর হওয়ার পথে এগিয়ে দেন।