E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মমতার পাশে উদ্ধব, কেজরী-অখিলেশও

অরবিন্দ কেজরীওয়াল, অখিলেশ যাদবের মতো অন্যান্য বিরোধী দলের নেতারাও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করেছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:২১
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র।

নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর: নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রতীক এবং নাম ‘ফ্রিজ়’ করার পরে তাঁর সমর্থনে মাঠে নামতে দেখা গেল ‘ইন্ডিয়া’ শরিকদের। গত কাল রাতেই কংগ্রেসের নেতারা পোস্ট করতে শুরু করেছিলেন নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি নেতৃত্বকে নিশানা করে। আজ উদ্ধব ঠাকরে, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, অখিলেশ যাদবের মতো অন্যান্য বিরোধী দলের নেতারাও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। অন্য দিকে মমতাও কলকাতায় তাঁর সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “আমরা চাই ইন্ডিয়া জোট ঐক্যবদ্ধ হোক।”

ভোটের মুখে দাঁড়ানো পঞ্জাবের শাসক দলের নেতা কেজরীওয়াল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘গোটা দেশকে জন্মদিনে এই উপহার দিলেন মোদীজি! বিজেপি কি এই পথেই ভোটে জিততে চায়?’ আর এক ভোটমুখী রাজ্য উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং কমিশনের কাছে বিরোধীদের জমা দেওয়া হলফনামার অবস্থান জানতে চেয়েছেন। তাঁর সঙ্গে মমতার সখ্য বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সামনে এসেছে বারবার। শিবসেনা (ইউবিটি) প্রধান উদ্ধব ঠাকরে এবং তাঁর শিবসেনা শিবিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যে ভাবে মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপি-র ক্ষেত্রে আসল দল এবং প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, ঠিক একই ধরন এ বার বাংলায় প্রয়োগ করা হচ্ছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কে সি বেণুগোপালের পরে রাহুল গান্ধী, পবন খেরা, গৌরব গগৈ— একের পর এক নেতা তাঁদের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে গিয়েছেন এই বিষয়ে। পবন খেরা এই সিদ্ধান্তকে ‘সাংবিধানিক দায়িত্বের অবহেলা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন যে, তৃণমূলের মূল দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া অংশটির কোনও সাংবিধানিক ভিত্তি নেই, তাই মূল প্রতীকটির অধিকার কেবলমাত্র মূল রাজনৈতিক দলেরই।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে গত কালই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে দেখা করেছিলেন ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি। সূত্রের মতে, কংগ্রেসকে পাশে সরিয়ে রেখে ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের মধ্যে ঐক্য তৈরি করার চেষ্টা করছে এম কে স্ট্যালিনের দল। আজ লঘু স্বরে তাদের এক নেতা তৃণমূল নেতৃত্বকে জানিয়েছেন, যেহেতু কানিমোঝি পৌঁছে যান কালীঘাটে, আজ তাই কংগ্রেসও মমতার পাশে থাকার জন্য সক্রিয়তা দেখাচ্ছে! অন্য দিকে, কানিমোঝির দিকে আঙুল তুলে এমডিএমকে সাংসদ দুরাই ভাইকো বলেছেন, তৃতীয় ফ্রন্ট গড়ার নামে ডিএমকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’কে দুর্বল করতে চাইছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Uddhav Thackeray Akhilesh Yadav Arvind Kejriwal

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy