বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার বাহানায় এক নাবালিকাকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেডিক্যালের জন্য ওই কনস্টেবলকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে, তাঁর উপর চড়াও হন সেখানকার কর্মীরা। কোনও রকমে তাঁকে বার করে নিয়ে আসা হয়। ঘটনাটি গোরক্ষপুরের।
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই নাবালিকার দিদি হাসপাতালে ভর্তি। গত ২৮ জুলাই দুপুর ২টো নাগাদ তাকে খাবার দিতে গিয়েছিল সে। হাসপাতাল থেকে বেরোনোর সময় নাবালিকার সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় ওই কনস্টেবলকে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, নাবালিকাকে নিজের বাইকে তুলে নিয়ে যান কনস্টেবল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, নাবালিকাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছিলেন অভিযুক্ত। তাঁর কথায় বিশ্বাস করে নাবালিকা বাইকে উঠে পড়ে।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, অভিযুক্ত কনস্টেবল নাবালিকাকে তার বাড়ি পৌঁছে না দিয়ে ১৫ কিলোমিটার দূরে একটি কবরস্থানে নিয়ে যান। পুলিশের সন্দেহ, সেখানে নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। তার পর তাকে খুন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে নদীর ধার থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। গোরক্ষপুরের পুলিশ সুপার কৌস্তুভ জানিয়েছেন, ২০০টি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। তার পরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চাকরি থেকে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে পদক্ষেপ করা হবে। এই প্রথম নয়, ২০২৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের এক মহিলাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগে সাসপেন্ড হন, জেলও খাটেন তিনি। এ বছরে তাঁকে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়েছিল।